ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

৯০০০ মানুষ পোশাক খুলে যে কারণে জড়ো হলেন!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশ রুদ্ধশ্বাস লড়াই। পরনে একটা অধোবাস ছাড়া আর কিছু নেই।

হাজার হাজার মানুষ এমন ভাবেই পরস্পরের সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন। কে হারে-কে জেতে— এমন টেনশন। জাপানে এই দৃশ্য কিন্তু বছরে একবার দেখা যাবেই। তবে এই লড়াইয়ে নারীরা ব্রাত্য। কেববল বালক আর পুরুষদের জন্যই খোলা রয়েছে ‘হাকাদা মাৎসুরি’-র দরজা।

‘হাকাদা মাৎসুরি’ জাপানের এক অতি প্রাচীন উৎসব। প্রতি বছর বেশ কয়েক হাজার বালক আর পূর্ণবয়স্ক পুরুষ এতে অংশ নেন। এক সুবিশাল কুস্তির রিংয়ে তাঁরা কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত হয়ে শুরু করেন লড়াই। পরনে থাকে ‘ফুন্দোশি’ নামের ট্র্যাডিশনাল অধোবাস। তাঁদের এই লড়াইয়ের উদ্দেশ্য একটাই, কে জিতে নেবেন আগামি এক বছরের সৌভাগ্য। এই পরম্পরাগত লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছে একটি তাবিজ। জাপানিদের ধারণা, এই তাবিজটি দখল করতে পারলে এক বছরের জন্য সৌভাগ্য হাতের মুঠোয়। প্রতি বছর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ওকায়ামার সাইদাজি মন্দিরে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে ঠান্ডা পানিতে স্নান করে শুদ্ধ হন। তার পরে মন্দিরে প্রণাম সারেন।

সমবেত সমাগমের উপরেই পুরোহিত তাবিজটি ছুড়ে দেন। তার পরে শুরু হয় লড়াই। যদি কেউ জ্ঞান হারান বা অন্য কোনও মেডিকেল এমার্জেন্সি দেখা দেয়, তার জন্য প্রতিযোগিরা ফুন্দোশির কোঁচড়ে নিজেদের নাম-ঠিকানা লিখে রাখেন। গত ৫০০ বছর ধরে উদযাপিত হয়ে আসছে এই উৎসব। না, লড়াই থাকলেও এই ৫০০ বছরে কোন বৈরিতা জন্ম নেয়নি হাকাদা মাৎসুরি-র অঙ্গন থেকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৯০০০ মানুষ পোশাক খুলে যে কারণে জড়ো হলেন!

আপডেট সময় ১১:৫২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশ রুদ্ধশ্বাস লড়াই। পরনে একটা অধোবাস ছাড়া আর কিছু নেই।

হাজার হাজার মানুষ এমন ভাবেই পরস্পরের সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন। কে হারে-কে জেতে— এমন টেনশন। জাপানে এই দৃশ্য কিন্তু বছরে একবার দেখা যাবেই। তবে এই লড়াইয়ে নারীরা ব্রাত্য। কেববল বালক আর পুরুষদের জন্যই খোলা রয়েছে ‘হাকাদা মাৎসুরি’-র দরজা।

‘হাকাদা মাৎসুরি’ জাপানের এক অতি প্রাচীন উৎসব। প্রতি বছর বেশ কয়েক হাজার বালক আর পূর্ণবয়স্ক পুরুষ এতে অংশ নেন। এক সুবিশাল কুস্তির রিংয়ে তাঁরা কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত হয়ে শুরু করেন লড়াই। পরনে থাকে ‘ফুন্দোশি’ নামের ট্র্যাডিশনাল অধোবাস। তাঁদের এই লড়াইয়ের উদ্দেশ্য একটাই, কে জিতে নেবেন আগামি এক বছরের সৌভাগ্য। এই পরম্পরাগত লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছে একটি তাবিজ। জাপানিদের ধারণা, এই তাবিজটি দখল করতে পারলে এক বছরের জন্য সৌভাগ্য হাতের মুঠোয়। প্রতি বছর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ওকায়ামার সাইদাজি মন্দিরে। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে ঠান্ডা পানিতে স্নান করে শুদ্ধ হন। তার পরে মন্দিরে প্রণাম সারেন।

সমবেত সমাগমের উপরেই পুরোহিত তাবিজটি ছুড়ে দেন। তার পরে শুরু হয় লড়াই। যদি কেউ জ্ঞান হারান বা অন্য কোনও মেডিকেল এমার্জেন্সি দেখা দেয়, তার জন্য প্রতিযোগিরা ফুন্দোশির কোঁচড়ে নিজেদের নাম-ঠিকানা লিখে রাখেন। গত ৫০০ বছর ধরে উদযাপিত হয়ে আসছে এই উৎসব। না, লড়াই থাকলেও এই ৫০০ বছরে কোন বৈরিতা জন্ম নেয়নি হাকাদা মাৎসুরি-র অঙ্গন থেকে।