ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, সংসদে জানালেন স্পিকার তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী সাইপ্রাসে রায়পুরার শাহরিয়ারকে হত্যা, বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার নিষিদ্ধ সংগঠনকে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না : মীর হেলাল ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের ‘সৌর বিপ্লব’ থেকে শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে : সিপিডি ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী স্থায়ীভাবে বন্ধ ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং, ১৮০০ শ্রমিকের মাঝে উদ্বেগ-হতাশা অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোরালো নির্দেশ স্পিকারের

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েও ভোটের মাঠে নারী প্রার্থী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা শেষে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন এক সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী। ওঁৎপেতে থাকা পাঁচ দুর্বৃত্ত তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মামলা হয়। পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতারও করে। ঘটনাটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন ভুক্তভোগী। তাই ভোটের মাঠ ছাড়ছেন না।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মামলা করেন। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মামলার আসামি বাগমারা উপজেলার মাহাবুর রহমান (২৮), আকবর হোসেন (৩৫), সোহেল রানা (২৪), দুলাল হোসেন (২৫) ও ফজলুর রহমানকে (৪৮) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, অনুষ্ঠিতব্য রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাগমারা উপজেলার সংরক্ষিত একটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনের লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন ওই সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী। বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সে সময় কয়েকজনের ভোটারের বাড়ি প্রচারণা চালাতে যান তিনি।

রাতে বাড়ি ফেরার সময় উপজেলার বাহমনিগ্রাম মোড়ে তাকে তুলে নেয় গ্রেফতার পাঁচ আসামি। সেখানেই তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ওই প্রার্থীকে অস্ত্রের মুখে রেখে ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে গত বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনজনের নাম ও দুজনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে ঘটনার প্রমাণ পায় পুলিশ। পরে পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দেন বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ভুক্তভোগীর এক আত্মীয় জানান, নির্বাচনের প্রচারণা চালাতে গিয়ে তিনি যেহেতু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন; ঘটনাটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তিনি। তাই ভোটের মাঠ ছাড়ছেন না, তিনি নির্বাচন করবেন।

তিনি আরও জানান, মামলা করার পর দ্রুত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের প্রতি সন্তুষ্ট ওই নারী। ঘটনার পর থেকে ভোটারদের কাছ থেকে বেশি সাড়া পাচ্ছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, সংসদে জানালেন স্পিকার

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েও ভোটের মাঠে নারী প্রার্থী

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবারের অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা শেষে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন এক সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী। ওঁৎপেতে থাকা পাঁচ দুর্বৃত্ত তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মামলা হয়। পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতারও করে। ঘটনাটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন ভুক্তভোগী। তাই ভোটের মাঠ ছাড়ছেন না।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মামলা করেন। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মামলার আসামি বাগমারা উপজেলার মাহাবুর রহমান (২৮), আকবর হোসেন (৩৫), সোহেল রানা (২৪), দুলাল হোসেন (২৫) ও ফজলুর রহমানকে (৪৮) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, অনুষ্ঠিতব্য রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাগমারা উপজেলার সংরক্ষিত একটি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনের লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন ওই সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী। বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সে সময় কয়েকজনের ভোটারের বাড়ি প্রচারণা চালাতে যান তিনি।

রাতে বাড়ি ফেরার সময় উপজেলার বাহমনিগ্রাম মোড়ে তাকে তুলে নেয় গ্রেফতার পাঁচ আসামি। সেখানেই তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ওই প্রার্থীকে অস্ত্রের মুখে রেখে ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে গত বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনজনের নাম ও দুজনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে ঘটনার প্রমাণ পায় পুলিশ। পরে পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দেন বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ভুক্তভোগীর এক আত্মীয় জানান, নির্বাচনের প্রচারণা চালাতে গিয়ে তিনি যেহেতু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন; ঘটনাটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তিনি। তাই ভোটের মাঠ ছাড়ছেন না, তিনি নির্বাচন করবেন।

তিনি আরও জানান, মামলা করার পর দ্রুত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের প্রতি সন্তুষ্ট ওই নারী। ঘটনার পর থেকে ভোটারদের কাছ থেকে বেশি সাড়া পাচ্ছেন তিনি।