ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০ হাজার ৩২৮ দশমিক ৮১ মিলিয়ন (৩০.৩২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের চতুর্দশ বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। বিদায়ী অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

রেমিট্যান্স আহরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ থেকে এসেছে ৪ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। এর ঠিক পরপরই তৃতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৪ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এই শীর্ষ তিন দেশ সম্মিলিতভাবে ১৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে, যা মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখান থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এর পরের অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার।

মন্ত্রীর দেওয়া এই পরিসংখ্যান দেশের অর্থনীতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের শ্রমবাজারের একচ্ছত্র আধিপত্যকে আবারও সামনে এনেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইন—এই ছয়টি দেশ থেকে সম্মিলিতভাবে প্রায় ১৩ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার এসেছে, যা মোট রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রায় ৪৫ শতাংশ।

এদিকে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যেও রেমিট্যান্সের গতি বেশ ভালো ছিল। এর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইতালি, যেখান থেকে এসেছে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে ফ্রান্স থেকে ৩৩৫ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার এবং গ্রিস থেকে ১৮৫ দশমিক ২১ মিলিয়ন ডলার এসেছে। এ ছাড়া জার্মানি থেকে ১৮০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ও পর্তুগাল থেকে এসেছে ১০২ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার।

প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে অন্য দেশগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রেমিট্যান্স এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২২৭ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার, কানাডা থেকে ২২৩ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন ডলার, অস্ট্রেলিয়া থেকে ১৭৭ দশমিক ০৯ মিলিয়ন ডলার এবং জর্ডান থেকে ১৬৮ দশমিক ১৭ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এর পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৪০২ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার, মালদ্বীপ থেকে ১৪১ দশমিক ০৯ মিলিয়ন ডলার, মরিশাস থেকে ১৪৩ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার, জাপান থেকে ১০৫ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন ডলার এবং ব্রুনাই দারুসসালাম থেকে ৮৭ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০ হাজার ৩২৮ দশমিক ৮১ মিলিয়ন (৩০.৩২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের চতুর্দশ বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। বিদায়ী অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

রেমিট্যান্স আহরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ থেকে এসেছে ৪ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। এর ঠিক পরপরই তৃতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৪ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এই শীর্ষ তিন দেশ সম্মিলিতভাবে ১৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে, যা মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখান থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এর পরের অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার।

মন্ত্রীর দেওয়া এই পরিসংখ্যান দেশের অর্থনীতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের শ্রমবাজারের একচ্ছত্র আধিপত্যকে আবারও সামনে এনেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইন—এই ছয়টি দেশ থেকে সম্মিলিতভাবে প্রায় ১৩ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার এসেছে, যা মোট রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রায় ৪৫ শতাংশ।

এদিকে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যেও রেমিট্যান্সের গতি বেশ ভালো ছিল। এর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইতালি, যেখান থেকে এসেছে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে ফ্রান্স থেকে ৩৩৫ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলার এবং গ্রিস থেকে ১৮৫ দশমিক ২১ মিলিয়ন ডলার এসেছে। এ ছাড়া জার্মানি থেকে ১৮০ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ও পর্তুগাল থেকে এসেছে ১০২ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার।

প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে অন্য দেশগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রেমিট্যান্স এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২২৭ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার, কানাডা থেকে ২২৩ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন ডলার, অস্ট্রেলিয়া থেকে ১৭৭ দশমিক ০৯ মিলিয়ন ডলার এবং জর্ডান থেকে ১৬৮ দশমিক ১৭ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এর পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৪০২ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার, মালদ্বীপ থেকে ১৪১ দশমিক ০৯ মিলিয়ন ডলার, মরিশাস থেকে ১৪৩ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার, জাপান থেকে ১০৫ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন ডলার এবং ব্রুনাই দারুসসালাম থেকে ৮৭ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।