ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’:চিফ প্রসিকিউটর উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২ পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আপডেট সময় ০৫:২১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’