ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

স্বামীর অধিকার পেতে ৫ দিন ধরে স্ত্রীর অনশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রীর অধিকার পেতে মোছা. রেহেনা আক্তার (২০) নামে এক নারী জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৪নং চর এলাকায় তার স্বামীর বাড়িতে স্ত্রীর অধিকার আদায়ে অবস্থান নিয়ে অনশনে বসেছেন।

শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর থেকেই উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৪নং চর এলাকায় রেহানা আব্দুল মজিদ দপ্তরীর ছেলে মো. নাজমুল মিয়ার ( ২৩) বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।

অনশনে বসা ওই নারী শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের হামিদুর রহমানের মেয়ে রেহেনা আক্তার।

এদিকে বাড়িতে অবস্থানের পর পরই রেহেনার সাথে থাকা তার খালাতে বোনের কাছ থেকে টেনে হেচড়ে শারীরিক নির্যাতন করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মোবাইলে থাকা সকল প্রমাণাদি ও যোগাযোগের নাম্বার ডিলেট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে

শ্ব্শুর মজিদ দপ্তরি রেহেনার মামা শ্বশুর ৪নং চর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, ও তার স্বামীর খালাতো ভাই বিজিবি সদস্য শাকিলের বিরুদ্ধে।

রেহেনা আক্তার জানান, গত ৭-৮ বছর আগে আমার প্রেমিক নাজমুল তার এলাকায় একটি মামলার আসামি হয়েছে আমাদের গ্রামে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আসে। সেখান থেকে তার সাথে আমার পরিচয় হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আমার বাড়িতে আমার বিয়ের প্রস্তাব আসলে নাজমুল আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার বিয়ে ভেঙে দেয়। দুই হাজার ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর নোটারি পাবলিকের তিন লাখ টাকা দাম মোহর ধার্য করিয়া বিয়ে হয়। বিয়ের পরে নাজমুলের পাঁচ মাস ডাকায় গাজীপুরে এক বাসায় সংসার করি। সংসার করা অবস্থায় নাজমুল চাকরির কথা বলে আমার পরিবারের কাছ থেকে মোট আড়াই লাখ টাকা নেয়। আমাকে মিথ্যা কথা বলে টাকা সে বিদেশে চলে যায়।

আমি তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে না পেয়ে একাধিকবার তার বাড়িতে আসলে আমার শ্বশুর এবং মামা হুমায়ুন মাস্টারসহ এলাকার লোকজন মীমাংসার কথা বলে আমাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। আমি সুষ্ঠু সুরাহা না পেয়ে আবার তার বাড়িতে এসেছি আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ পারুল বলেন, মেয়েটি আমার কাছে একাধিক বার এসেছে। আমি বার বার মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি ছেলের পরিবার থেকে মীমাংসা হয় নাই।

এবিষয়ে নাজমুল এর বাবা আব্দুল মজিদ ও মামা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

এ বিষয়ে ডিক্রিরচর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এজিএম মাইদুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। যদি মেয়েটি অভিযোগ দেয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর অধিকার পেতে ৫ দিন ধরে স্ত্রীর অনশন

আপডেট সময় ১১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রীর অধিকার পেতে মোছা. রেহেনা আক্তার (২০) নামে এক নারী জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৪নং চর এলাকায় তার স্বামীর বাড়িতে স্ত্রীর অধিকার আদায়ে অবস্থান নিয়ে অনশনে বসেছেন।

শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর থেকেই উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৪নং চর এলাকায় রেহানা আব্দুল মজিদ দপ্তরীর ছেলে মো. নাজমুল মিয়ার ( ২৩) বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।

অনশনে বসা ওই নারী শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের হামিদুর রহমানের মেয়ে রেহেনা আক্তার।

এদিকে বাড়িতে অবস্থানের পর পরই রেহেনার সাথে থাকা তার খালাতে বোনের কাছ থেকে টেনে হেচড়ে শারীরিক নির্যাতন করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মোবাইলে থাকা সকল প্রমাণাদি ও যোগাযোগের নাম্বার ডিলেট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে

শ্ব্শুর মজিদ দপ্তরি রেহেনার মামা শ্বশুর ৪নং চর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, ও তার স্বামীর খালাতো ভাই বিজিবি সদস্য শাকিলের বিরুদ্ধে।

রেহেনা আক্তার জানান, গত ৭-৮ বছর আগে আমার প্রেমিক নাজমুল তার এলাকায় একটি মামলার আসামি হয়েছে আমাদের গ্রামে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আসে। সেখান থেকে তার সাথে আমার পরিচয় হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আমার বাড়িতে আমার বিয়ের প্রস্তাব আসলে নাজমুল আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার বিয়ে ভেঙে দেয়। দুই হাজার ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর নোটারি পাবলিকের তিন লাখ টাকা দাম মোহর ধার্য করিয়া বিয়ে হয়। বিয়ের পরে নাজমুলের পাঁচ মাস ডাকায় গাজীপুরে এক বাসায় সংসার করি। সংসার করা অবস্থায় নাজমুল চাকরির কথা বলে আমার পরিবারের কাছ থেকে মোট আড়াই লাখ টাকা নেয়। আমাকে মিথ্যা কথা বলে টাকা সে বিদেশে চলে যায়।

আমি তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে না পেয়ে একাধিকবার তার বাড়িতে আসলে আমার শ্বশুর এবং মামা হুমায়ুন মাস্টারসহ এলাকার লোকজন মীমাংসার কথা বলে আমাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। আমি সুষ্ঠু সুরাহা না পেয়ে আবার তার বাড়িতে এসেছি আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ পারুল বলেন, মেয়েটি আমার কাছে একাধিক বার এসেছে। আমি বার বার মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি ছেলের পরিবার থেকে মীমাংসা হয় নাই।

এবিষয়ে নাজমুল এর বাবা আব্দুল মজিদ ও মামা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

এ বিষয়ে ডিক্রিরচর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এজিএম মাইদুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না। যদি মেয়েটি অভিযোগ দেয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।