ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘পশ্চিমাদের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা আধিপত্যের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। লন্ডনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরে, পশ্চিমা নেতৃত্বের জন্য এখন কী শেখার আছে?’ শীর্ষক বক্তৃতায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
ব্লেয়ারের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে বিশ্ব ইতিহাসের একটি বাঁক বদল বা মোড় পরিবর্তন হয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন আগের দু’টি ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা গেলেও এবার পশ্চিমারা স্পষ্টতই তখনকার মতো অবস্থানে নেই।

ব্রিটেনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে এতদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য দেখে আসলেও আমরা এখন সেটির সমাপ্তিতে আসছি।

ব্লেয়ার আরও বলেন, বিশ্ব কমপক্ষে দ্বি-মেরু এবং সম্ভবত বহু-মেরুভিত্তিক হতে চলেছে। এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন রাশিয়া নয় চীনের কাছ থেকেই আসবে।

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের দাবি, একটি পরাশক্তি হিসাবে চীনের স্থান স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত। এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন নয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পশ্চিমারা আর চীনের ওপর নির্ভর করতে পারে না। পশ্চিমের উচিত চীনকে সামরিকভাবে ছাড়িয়ে যেতে না দেওয়া।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনীতি ছিল ইতালির চেয়েও ছোট। কিন্তু বিদেশী বিনিয়োগের জন্য দেশ উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং বাজার সংস্কার প্রবর্তনের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার হামলার প্রায় পাঁচ মাসে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন। রয়টার্স বলছে, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে পুতিনও চীনের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ঘোষণা দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘পশ্চিমাদের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধ’

আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ জুলাই ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা আধিপত্যের পতন ও চীনের উত্থান দেখিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। লন্ডনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরে, পশ্চিমা নেতৃত্বের জন্য এখন কী শেখার আছে?’ শীর্ষক বক্তৃতায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
ব্লেয়ারের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে বিশ্ব ইতিহাসের একটি বাঁক বদল বা মোড় পরিবর্তন হয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন আগের দু’টি ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা গেলেও এবার পশ্চিমারা স্পষ্টতই তখনকার মতো অবস্থানে নেই।

ব্রিটেনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে এতদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য দেখে আসলেও আমরা এখন সেটির সমাপ্তিতে আসছি।

ব্লেয়ার আরও বলেন, বিশ্ব কমপক্ষে দ্বি-মেরু এবং সম্ভবত বহু-মেরুভিত্তিক হতে চলেছে। এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন রাশিয়া নয় চীনের কাছ থেকেই আসবে।

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের দাবি, একটি পরাশক্তি হিসাবে চীনের স্থান স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত। এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন নয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পশ্চিমারা আর চীনের ওপর নির্ভর করতে পারে না। পশ্চিমের উচিত চীনকে সামরিকভাবে ছাড়িয়ে যেতে না দেওয়া।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনীতি ছিল ইতালির চেয়েও ছোট। কিন্তু বিদেশী বিনিয়োগের জন্য দেশ উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং বাজার সংস্কার প্রবর্তনের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার হামলার প্রায় পাঁচ মাসে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছেন। রয়টার্স বলছে, চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে পুতিনও চীনের সঙ্গে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ঘোষণা দিয়েছেন।