ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাওনা টাকার জেরে গৃহবধূকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাওনা টাকার জেরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গৃহবধূ রোজিনা বেগমকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে সবুজ ফকির (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দীলিপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন। আসামি সবুজ ফকিরের উপস্থিতিতে আদালত এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সবুজ ফকির উপজেলার উত্তর সাহাবাজ গ্রামের শাহজাহান ফকিরের ছেলে এবং নিহত রোজিনা একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফারুক আহমেদ প্রিন্স বলেন, পাওনা টাকার জেরে রোজিনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা এই মামলার একমাত্র আসামি সবুজ ফকির আদালতে আত্মসমর্পণ করে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া মামলায় আদালতে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামি সবুজ ফকিরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল রোজিনা বেগমের পথরোধ করে প্রকাশ্যে তার পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা রোজিনাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে একমাত্র সবুজ ফকিরকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ সবুজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাওনা টাকার জেরে গৃহবধূকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পাওনা টাকার জেরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গৃহবধূ রোজিনা বেগমকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে সবুজ ফকির (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দীলিপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন। আসামি সবুজ ফকিরের উপস্থিতিতে আদালত এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সবুজ ফকির উপজেলার উত্তর সাহাবাজ গ্রামের শাহজাহান ফকিরের ছেলে এবং নিহত রোজিনা একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফারুক আহমেদ প্রিন্স বলেন, পাওনা টাকার জেরে রোজিনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা এই মামলার একমাত্র আসামি সবুজ ফকির আদালতে আত্মসমর্পণ করে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া মামলায় আদালতে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামি সবুজ ফকিরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল রোজিনা বেগমের পথরোধ করে প্রকাশ্যে তার পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা রোজিনাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে একমাত্র সবুজ ফকিরকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ সবুজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে।