ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০১:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।