ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০১:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।