ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দূষণের হাত থেকে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোহাগাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মাইক্রোবাস, নিহত ৩ দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

একই পরিবারের একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০১:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নড়াইল সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে কৃষক মফি শেখ হত্যা মামলায় প্রতিবেশী জামিনুর রহমান মোল্যাকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন শুভ (২৭), তার মামা সাহিদ মোল্যা (৪২) এবং নানা সাত্তার মোল্যাকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি ভবানীপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই দুপুরে নড়াইলের ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার নয় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে স্কুল থেকে উপবৃত্তির টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। রাস্তায় মাথাভাঙ্গা ব্রিজের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবেশী মফি শেখকে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

এই ঘটনায় নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন। ছয় আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামিনুরের মা আবেনুর খাতুন (৫০) ও মামা সাখায়েত হোসেনকে (২৬) খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী রেকসোনা খাতুন ও ভাই সরোয়ার শেখ জানান, তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন দ্রুত তা কার্যকর হবে।

এদিকে, রায় শুনে আসামিপক্ষের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মফি শেখকে হত্যার সময় শিশুপুত্র মিঠু তার সঙ্গেই ছিলেন। বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করায় ভেঙে পড়ে মিঠু। এছাড়া ঘটনার সময় ভুক্তভোগী মফির ১৬ দিন বয়সী নবজাতক মাহিম শেখ বড় হয়ে বাবার মুখ দেখতে পারেনি। মফির স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন।