ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে ইতালি গেলেন ৯৩ আশ্রয়প্রার্থী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের সহায়তায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে পৌঁছেছেন ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর একটি বিমানে করে ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে আসে। এদের মধ্যে শিশু, নারী, অসুস্থ ব্যক্তি ও সহিংসতা বা নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবারের এই অভিযান ২০১৯ সালের পর ইতালি থেকে আসা প্রথম এমন ইভ্যাকুয়েশন বা উদ্ধারকারী বিমান ছিল। ভবিষ্যতে এমন আরও চারটি বিমান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এসকল ফ্লাইটে পাঁচশজনকে লিবিয়া থেকে নিয়ে আসা হবে।

ইউএনএইচসিআরের লিবিয়া কার্যালয়ের প্রধান জ পল কাভালিয়েরি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে এই ইভ্যাকুয়েশন বিমানগুলি সফল হয়েছে ও লিবিয়া কর্তৃপক্ষও এতে আমাদের সহায়তা করেছে। লিবিয়াতে শরণার্থীদের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই কঠিন।’

লিবিয়ায় এই মুহূর্তে বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার বিষয়টিই সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে মনে করেন কাভালিয়েরি।

২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে সহিংসতা ও মানবপাচারের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। একই সাথে, বিভিন্ন সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশ থেকে আসা মানুষদের ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনেকেই এখনও লিবিয়ায় মানবেতর পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন।

২০১৭ সালে জাতিসংঘ এই ধরনের উদ্ধারকারী বিমান ব্যবহার করা শুরু করে। এমন অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৯১৯জনকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে ইউএনএইচসিআর। আরো ৯৬৭জনকে ইতালিতে নিয়ে আসা হয় উদ্ধারকারী বিমানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়া থেকে ইতালি গেলেন ৯৩ আশ্রয়প্রার্থী

আপডেট সময় ০১:২২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের সহায়তায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে পৌঁছেছেন ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর একটি বিমানে করে ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে আসে। এদের মধ্যে শিশু, নারী, অসুস্থ ব্যক্তি ও সহিংসতা বা নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবারের এই অভিযান ২০১৯ সালের পর ইতালি থেকে আসা প্রথম এমন ইভ্যাকুয়েশন বা উদ্ধারকারী বিমান ছিল। ভবিষ্যতে এমন আরও চারটি বিমান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এসকল ফ্লাইটে পাঁচশজনকে লিবিয়া থেকে নিয়ে আসা হবে।

ইউএনএইচসিআরের লিবিয়া কার্যালয়ের প্রধান জ পল কাভালিয়েরি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে এই ইভ্যাকুয়েশন বিমানগুলি সফল হয়েছে ও লিবিয়া কর্তৃপক্ষও এতে আমাদের সহায়তা করেছে। লিবিয়াতে শরণার্থীদের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই কঠিন।’

লিবিয়ায় এই মুহূর্তে বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার বিষয়টিই সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে মনে করেন কাভালিয়েরি।

২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে সহিংসতা ও মানবপাচারের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। একই সাথে, বিভিন্ন সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশ থেকে আসা মানুষদের ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনেকেই এখনও লিবিয়ায় মানবেতর পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন।

২০১৭ সালে জাতিসংঘ এই ধরনের উদ্ধারকারী বিমান ব্যবহার করা শুরু করে। এমন অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৯১৯জনকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে ইউএনএইচসিআর। আরো ৯৬৭জনকে ইতালিতে নিয়ে আসা হয় উদ্ধারকারী বিমানে।