ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

লিবিয়া থেকে ইতালি গেলেন ৯৩ আশ্রয়প্রার্থী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের সহায়তায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে পৌঁছেছেন ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর একটি বিমানে করে ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে আসে। এদের মধ্যে শিশু, নারী, অসুস্থ ব্যক্তি ও সহিংসতা বা নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবারের এই অভিযান ২০১৯ সালের পর ইতালি থেকে আসা প্রথম এমন ইভ্যাকুয়েশন বা উদ্ধারকারী বিমান ছিল। ভবিষ্যতে এমন আরও চারটি বিমান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এসকল ফ্লাইটে পাঁচশজনকে লিবিয়া থেকে নিয়ে আসা হবে।

ইউএনএইচসিআরের লিবিয়া কার্যালয়ের প্রধান জ পল কাভালিয়েরি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে এই ইভ্যাকুয়েশন বিমানগুলি সফল হয়েছে ও লিবিয়া কর্তৃপক্ষও এতে আমাদের সহায়তা করেছে। লিবিয়াতে শরণার্থীদের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই কঠিন।’

লিবিয়ায় এই মুহূর্তে বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার বিষয়টিই সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে মনে করেন কাভালিয়েরি।

২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে সহিংসতা ও মানবপাচারের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। একই সাথে, বিভিন্ন সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশ থেকে আসা মানুষদের ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনেকেই এখনও লিবিয়ায় মানবেতর পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন।

২০১৭ সালে জাতিসংঘ এই ধরনের উদ্ধারকারী বিমান ব্যবহার করা শুরু করে। এমন অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৯১৯জনকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে ইউএনএইচসিআর। আরো ৯৬৭জনকে ইতালিতে নিয়ে আসা হয় উদ্ধারকারী বিমানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

লিবিয়া থেকে ইতালি গেলেন ৯৩ আশ্রয়প্রার্থী

আপডেট সময় ০১:২২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের সহায়তায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে পৌঁছেছেন ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর একটি বিমানে করে ত্রিপলি থেকে ইতালির রোমে ৯৩জন আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে আসে। এদের মধ্যে শিশু, নারী, অসুস্থ ব্যক্তি ও সহিংসতা বা নানা ধরনের অত্যাচারের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবারের এই অভিযান ২০১৯ সালের পর ইতালি থেকে আসা প্রথম এমন ইভ্যাকুয়েশন বা উদ্ধারকারী বিমান ছিল। ভবিষ্যতে এমন আরও চারটি বিমান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এসকল ফ্লাইটে পাঁচশজনকে লিবিয়া থেকে নিয়ে আসা হবে।

ইউএনএইচসিআরের লিবিয়া কার্যালয়ের প্রধান জ পল কাভালিয়েরি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে এই ইভ্যাকুয়েশন বিমানগুলি সফল হয়েছে ও লিবিয়া কর্তৃপক্ষও এতে আমাদের সহায়তা করেছে। লিবিয়াতে শরণার্থীদের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই কঠিন।’

লিবিয়ায় এই মুহূর্তে বিপন্ন মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার বিষয়টিই সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে মনে করেন কাভালিয়েরি।

২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে সহিংসতা ও মানবপাচারের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। একই সাথে, বিভিন্ন সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশ থেকে আসা মানুষদের ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে লিবিয়া। এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনেকেই এখনও লিবিয়ায় মানবেতর পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন।

২০১৭ সালে জাতিসংঘ এই ধরনের উদ্ধারকারী বিমান ব্যবহার করা শুরু করে। এমন অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৯১৯জনকে তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে ইউএনএইচসিআর। আরো ৯৬৭জনকে ইতালিতে নিয়ে আসা হয় উদ্ধারকারী বিমানে।