ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ফাঁদে ফেলে ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, চাচাসহ গ্রেফতার ২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দর্জির কাজ শিখতে যাওয়া নবম শ্রেণি পড়ুয়া ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত চাচা সোহেল (১৭) ও তার খালাতো বোন মারুফাকে (১৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট বিকেল ৩টার সময় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী দর্জির কাজ শিখতে যায় চাচার ঘরে। এ সময় ঘরে ছিল অভিযুক্ত চাচা তার খালাত ভাই শামীমের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট অভিযুক্ত সোহেল তার খালাত বোন মারুফাকে ভুক্তভোগীর ঘরে পাঠিয়ে কৌশলে তার ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে ধারণ করে নতুন ট্রাপ করে। কিন্তু ভুক্তভোগী অভিযুক্ত চাচার কথায় সাই না দেওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে সোহেলকে প্রধান আসামি এবং ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য খালাত বোন ফারুফা ও খালাতো ভাই শামিমকে আসামি করে আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর অভিযুক্ত সোহেল এবং তার খালাত বোন মারুফাকে ওই রাতেই আমতলী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসরিন সুলতানা গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার পরপরই অভিযুক্ত সোহেল এবং খালাতো বোন মারুফাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি শামিম পলাতক রয়েছে। তাকেও দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে।

এদিকে, ভুক্তভোগীর মা গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আমার দেবর। সে আমার মেয়ের চাচা হয়েও সর্বনাশ করেছে। জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে- তা ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনার কঠিন শাস্তি চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

ফাঁদে ফেলে ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, চাচাসহ গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০৯:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দর্জির কাজ শিখতে যাওয়া নবম শ্রেণি পড়ুয়া ভাতিজিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত চাচা সোহেল (১৭) ও তার খালাতো বোন মারুফাকে (১৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ আগস্ট বিকেল ৩টার সময় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী দর্জির কাজ শিখতে যায় চাচার ঘরে। এ সময় ঘরে ছিল অভিযুক্ত চাচা তার খালাত ভাই শামীমের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট অভিযুক্ত সোহেল তার খালাত বোন মারুফাকে ভুক্তভোগীর ঘরে পাঠিয়ে কৌশলে তার ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে ধারণ করে নতুন ট্রাপ করে। কিন্তু ভুক্তভোগী অভিযুক্ত চাচার কথায় সাই না দেওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে সোহেলকে প্রধান আসামি এবং ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য খালাত বোন ফারুফা ও খালাতো ভাই শামিমকে আসামি করে আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর অভিযুক্ত সোহেল এবং তার খালাত বোন মারুফাকে ওই রাতেই আমতলী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসরিন সুলতানা গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার পরপরই অভিযুক্ত সোহেল এবং খালাতো বোন মারুফাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি শামিম পলাতক রয়েছে। তাকেও দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে।

এদিকে, ভুক্তভোগীর মা গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আমার দেবর। সে আমার মেয়ের চাচা হয়েও সর্বনাশ করেছে। জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে- তা ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে আরও একাধিক বার ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনার কঠিন শাস্তি চাই।