ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

আপডেট সময় ১১:০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।