ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

আপডেট সময় ১১:০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।