অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’
তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’
হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















