ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

গ্রীষ্মের ঝাঁঝালো দাবদাহের পরে বৃষ্টির হিম শীতল ঠান্ডা কার না ভালো লাগে। বৃষ্টি উত্তপ্ত ধরণিতে বুলিয়ে দেয় স্বস্তির পরশ।

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘তুমি পৃথিবীকে নিষ্প্রাণ দেখতে পাও। এরপর আমি যখন এর ওপর পানি বর্ষণ করি, তখন তা সক্রিয় হয়ে ওঠে ও ফেঁপে ফুলে ওঠে এবং প্রত্যেক প্রকার উদ্ভিদের সবুজ শ্যামল শোভামণ্ডিত জোড়া উৎপন্ন করে’ (সূরা হজ, আয়াত : ৫)।

কবির কবিতা, লেখকের গল্প, উপন্যাসিকের উপন্যাসে বৃষ্টিকে উপজীব্য করে প্রচুর লেখা আমাদের সামনে আছে। বৃষ্টির প্রভাব প্রতিটি হৃদয়ে পড়েছে কম আর বেশি। সিরাতের পাতায় চোখ বুলালে দেখতে পাই আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-এর জীবনেও রয়েছে বৃষ্টির প্রভাব।

আল্লাহর রাসূল (সা.)ও বৃষ্টি বিলাস করেছেন। বৃষ্টিতে ভিজেছেন। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূল (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন আমাদের বৃষ্টি পেল। তখন রাসূল (সা.) তার গায়ের পোশাকের কিছু অংশ সরিয়ে নিলেন, যাতে করে গায়ে বৃষ্টি লাগে।

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন এমনটি করলেন? তিনি বললেন, ‘কারণ বৃষ্টি তার প্রতিপালকের কাছ থেকে সদ্য আগত।’ (মুসলিম ৮৯৮)।

আল্লাহর রাসূল (সা.) বৃষ্টির সময় কল্যাণ কামনা করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসূল (সা.) বৃষ্টি দেখলে বলতেন, ‘হে আল্লাহ্! মুষলধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও’ (সহিহ বুখারি)।

বৃষ্টির সময় আল্লাহর রাসূল (সা.) বেশি বেশি দোয়া করতেন। কারণ বৃষ্টির সময় আল্লাহতায়ালা দোয়া কবুল করেন।

হজরত সাহল বিন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, দুই সময়ের দোয়া কখনো ফেরত দেওয়া হয় না। আজানের সময় যে দোয়া করা হয় এবং বৃষ্টি চলাকালীন যে দোয়া করা হয় (আবু দাউদ-২৫৪০)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়

আপডেট সময় ০৭:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

গ্রীষ্মের ঝাঁঝালো দাবদাহের পরে বৃষ্টির হিম শীতল ঠান্ডা কার না ভালো লাগে। বৃষ্টি উত্তপ্ত ধরণিতে বুলিয়ে দেয় স্বস্তির পরশ।

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘তুমি পৃথিবীকে নিষ্প্রাণ দেখতে পাও। এরপর আমি যখন এর ওপর পানি বর্ষণ করি, তখন তা সক্রিয় হয়ে ওঠে ও ফেঁপে ফুলে ওঠে এবং প্রত্যেক প্রকার উদ্ভিদের সবুজ শ্যামল শোভামণ্ডিত জোড়া উৎপন্ন করে’ (সূরা হজ, আয়াত : ৫)।

কবির কবিতা, লেখকের গল্প, উপন্যাসিকের উপন্যাসে বৃষ্টিকে উপজীব্য করে প্রচুর লেখা আমাদের সামনে আছে। বৃষ্টির প্রভাব প্রতিটি হৃদয়ে পড়েছে কম আর বেশি। সিরাতের পাতায় চোখ বুলালে দেখতে পাই আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-এর জীবনেও রয়েছে বৃষ্টির প্রভাব।

আল্লাহর রাসূল (সা.)ও বৃষ্টি বিলাস করেছেন। বৃষ্টিতে ভিজেছেন। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূল (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন আমাদের বৃষ্টি পেল। তখন রাসূল (সা.) তার গায়ের পোশাকের কিছু অংশ সরিয়ে নিলেন, যাতে করে গায়ে বৃষ্টি লাগে।

আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন এমনটি করলেন? তিনি বললেন, ‘কারণ বৃষ্টি তার প্রতিপালকের কাছ থেকে সদ্য আগত।’ (মুসলিম ৮৯৮)।

আল্লাহর রাসূল (সা.) বৃষ্টির সময় কল্যাণ কামনা করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসূল (সা.) বৃষ্টি দেখলে বলতেন, ‘হে আল্লাহ্! মুষলধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও’ (সহিহ বুখারি)।

বৃষ্টির সময় আল্লাহর রাসূল (সা.) বেশি বেশি দোয়া করতেন। কারণ বৃষ্টির সময় আল্লাহতায়ালা দোয়া কবুল করেন।

হজরত সাহল বিন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, দুই সময়ের দোয়া কখনো ফেরত দেওয়া হয় না। আজানের সময় যে দোয়া করা হয় এবং বৃষ্টি চলাকালীন যে দোয়া করা হয় (আবু দাউদ-২৫৪০)।