ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করব : মির্জা আব্বাস ইমান এনে কোনো লাভ নেই, এরা মুনাফিকি করে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভোট চাচ্ছে: মির্জা ফখরুল বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ ব্যবসায়ীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন ফিরোজ আলম মিলন নামে এক ব্যবসায়ী।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ফিরোজ আলম মিলন।

ফিরোজ আলম মিলন নিজেকে বসুরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করেন। পারিবারিক সূত্রে প্রায় ৫০ বছর ধরে বসুরহাট বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টায় কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছাড়া পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা লোকজন নিয়ে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মেসার্স ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং মেসার্স হুমায়ন টিম্বার মার্চেন্ট অ্যান্ড স’মিলে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।

তিনি বলেন, ‘কাদের মির্জা দুই শতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে বুলডোজার দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানটি গুড়িয়ে দেযন। আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি বসুরহাটের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এই জায়গাটির প্রতি অশুভ নজর পড়ে পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার। তিনি নানাভাবে জায়গাটি দখল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন বছরের পর বছর।’

ফিরোজ আলম মিলন বলেন, আমার জায়গা দখল করার হীন প্রত্যয়ে এক পর্যায়ে বসুরহাট পৌরসভার প্যাডে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিটি সরকারি খাস জমি উল্লেখ করে নোটিশ প্রদান করেন। এই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গেলে আদালত আমাদের দলিলপত্র দেখে এই সম্পত্তির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। আদালতের স্থগিতাদেশ নং- ২৮। আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলেও পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একসঙ্গে ফেসবুক লাইভে এসে সুখবর দিলেন দেব-শুভশ্রী

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ ব্যবসায়ীর

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন ফিরোজ আলম মিলন নামে এক ব্যবসায়ী।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ফিরোজ আলম মিলন।

ফিরোজ আলম মিলন নিজেকে বসুরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করেন। পারিবারিক সূত্রে প্রায় ৫০ বছর ধরে বসুরহাট বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টায় কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছাড়া পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা লোকজন নিয়ে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মেসার্স ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং মেসার্স হুমায়ন টিম্বার মার্চেন্ট অ্যান্ড স’মিলে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।

তিনি বলেন, ‘কাদের মির্জা দুই শতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে বুলডোজার দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানটি গুড়িয়ে দেযন। আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি বসুরহাটের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এই জায়গাটির প্রতি অশুভ নজর পড়ে পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার। তিনি নানাভাবে জায়গাটি দখল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন বছরের পর বছর।’

ফিরোজ আলম মিলন বলেন, আমার জায়গা দখল করার হীন প্রত্যয়ে এক পর্যায়ে বসুরহাট পৌরসভার প্যাডে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিটি সরকারি খাস জমি উল্লেখ করে নোটিশ প্রদান করেন। এই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গেলে আদালত আমাদের দলিলপত্র দেখে এই সম্পত্তির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। আদালতের স্থগিতাদেশ নং- ২৮। আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলেও পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।