ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতের সমুদ্র রেখা নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের আপত্তি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গোপসাগরে ভারতের পক্ষ থেকে যে সমুদ্ররেখা (বেসলাইন) নির্ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ। ১৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে জাতিসংঘে এ বিষয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ – ভারত সমুদ্র সীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত রায় দেয়। সেই রায় অনুযায়ী সমুদ্রে মহীসোপানের দাবি নির্ধারণ করে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের দাবির বিপক্ষে ভারত চলতি বছরের এপ্রিলে জাতিসংঘে চিঠি দেয়। ভারতের সেই চিঠির বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বরাবর পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ উল্লেখ করেছে, ১৯৭৬ সালে ভারত সরকার সমুদ্র বিষয়ক টেরিটোরিয়াল ওয়াটার ও মেরিটাইম জোন আইন প্রণয়ন করে। এই আইন প্রণয়নের ৩৩ বছর পর ২০০৯ সালে ভারত ভিত্তিরেখা নির্ধারণের জন্য সেই আইনে সংশোধনী আনে। ২০০৯ সালের সংশোধনীতে ভারত ‘স্ট্রেট লাইন বেসলাইন’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যেটা জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের ৭ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

২০১৪ সালের সালিশি আদালতের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ সমুদ্রে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে। সেই রায়ের পর দুই দেশের সমুদ্রসীমায় আর কোনো বিরোধ থাকতে পারে না বলে মনে করে বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতের সমুদ্র রেখা নিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের আপত্তি

আপডেট সময় ১২:০৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গোপসাগরে ভারতের পক্ষ থেকে যে সমুদ্ররেখা (বেসলাইন) নির্ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ। ১৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে জাতিসংঘে এ বিষয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ – ভারত সমুদ্র সীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত রায় দেয়। সেই রায় অনুযায়ী সমুদ্রে মহীসোপানের দাবি নির্ধারণ করে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের দাবির বিপক্ষে ভারত চলতি বছরের এপ্রিলে জাতিসংঘে চিঠি দেয়। ভারতের সেই চিঠির বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বরাবর পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ উল্লেখ করেছে, ১৯৭৬ সালে ভারত সরকার সমুদ্র বিষয়ক টেরিটোরিয়াল ওয়াটার ও মেরিটাইম জোন আইন প্রণয়ন করে। এই আইন প্রণয়নের ৩৩ বছর পর ২০০৯ সালে ভারত ভিত্তিরেখা নির্ধারণের জন্য সেই আইনে সংশোধনী আনে। ২০০৯ সালের সংশোধনীতে ভারত ‘স্ট্রেট লাইন বেসলাইন’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যেটা জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের ৭ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

২০১৪ সালের সালিশি আদালতের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ সমুদ্রে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে। সেই রায়ের পর দুই দেশের সমুদ্রসীমায় আর কোনো বিরোধ থাকতে পারে না বলে মনে করে বাংলাদেশ।