ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিমানে উড়িয়ে কাতারে আনা হলো গরুর পাল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিমানে উড়িয়ে গরুর পাল আনা হলো কাতারে।কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন অবরোধে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। সংকট পূরণে বিদেশ থেকে উন্নত জাতের গাভি আনার উদ্যোগ নিয়েছে কাতার।প্রথম দফায় জার্মানি থেকে ১৬৫টি গাভি আনা হয়েছে কাতারে। মোট ৪ হাজার গাভি আমদানি করা হবে।স্থল, আকাশ ও নৌপথে কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করায় খাদ্যচাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। কাতার তার ২৭ লাখ জনগণের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের বেশির ভাগ আমদানি করে থাকে।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন সার্বিকভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করায় খাদ্যপণ্যের চাহিদা মেটাতে বিকল্প ভাবতে হচ্ছে কাতারি সরকারকে। ইরান ও তুরস্ক কাতারের পাশে দাঁড়ালেও পুরোপুরি চাহিদা মেটাতে ঘাম ঝরছে দেশটির।সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে উপসাগরীয় ওই চার দেশ। এসব দেশের সঙ্গে সুর মিলিয়েছে তাদের কয়েকটি মিত্র দেশ। তবে কাতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

অবরোধ প্রত্যাহারে কাতারকে ১৩টি শর্ত দেয় ওই চার দেশ। কিন্তু এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে কাতার। ফলে সংকট সমাধানের পথ আরো দীর্ঘায়িত হয়। উপরন্তু ওই চার দেশ হুমকি দেয়, অবরোধ আরো কঠোর করা হবে। এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ পণ্যের চাহিদা মেটাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কাতার। কারণ, ওই চার দেশ থেকে তারা তাদের বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতো।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কাতার এয়ারওয়েজের একটি কার্গো বিমানে গরুগুলো আনা হয়। সংকটকালীন চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি খামারে গরুগুলো রাখা হয়েছে।

কাতারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল গরুগুলো আমদানি করছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মৌতাজ আল-খায়াত গত মাসে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে বলেন, ৪ হাজার গরু কাতারে আনা গেলে, দেশের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদার ৩০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। নতুন একটি ব্র্যান্ডে বিক্রি করা হবে তাদের পণ্য। পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মৌতাজ আল-খায়াতের নামানুসারে ‘মি. আল-খায়াত’ নামে চালু হচ্ছে নতুন ব্র্যান্ড।

এদিকে, কাতারের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অচলাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে কুযেত ও যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন কাতারের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একই উদ্দেশ্যে বুধবার সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তিনি। তবে কাতারের সংকটের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ভূমিকা রয়েছে। সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অন্য দেশগুলো কাতারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তাতে সমর্থন দেন ট্রাম্প।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিমানে উড়িয়ে কাতারে আনা হলো গরুর পাল

আপডেট সময় ০১:৪৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিমানে উড়িয়ে গরুর পাল আনা হলো কাতারে।কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন অবরোধে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। সংকট পূরণে বিদেশ থেকে উন্নত জাতের গাভি আনার উদ্যোগ নিয়েছে কাতার।প্রথম দফায় জার্মানি থেকে ১৬৫টি গাভি আনা হয়েছে কাতারে। মোট ৪ হাজার গাভি আমদানি করা হবে।স্থল, আকাশ ও নৌপথে কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করায় খাদ্যচাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। কাতার তার ২৭ লাখ জনগণের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের বেশির ভাগ আমদানি করে থাকে।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন সার্বিকভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করায় খাদ্যপণ্যের চাহিদা মেটাতে বিকল্প ভাবতে হচ্ছে কাতারি সরকারকে। ইরান ও তুরস্ক কাতারের পাশে দাঁড়ালেও পুরোপুরি চাহিদা মেটাতে ঘাম ঝরছে দেশটির।সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে উপসাগরীয় ওই চার দেশ। এসব দেশের সঙ্গে সুর মিলিয়েছে তাদের কয়েকটি মিত্র দেশ। তবে কাতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

অবরোধ প্রত্যাহারে কাতারকে ১৩টি শর্ত দেয় ওই চার দেশ। কিন্তু এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে কাতার। ফলে সংকট সমাধানের পথ আরো দীর্ঘায়িত হয়। উপরন্তু ওই চার দেশ হুমকি দেয়, অবরোধ আরো কঠোর করা হবে। এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ পণ্যের চাহিদা মেটাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কাতার। কারণ, ওই চার দেশ থেকে তারা তাদের বেশির ভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতো।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার কাতার এয়ারওয়েজের একটি কার্গো বিমানে গরুগুলো আনা হয়। সংকটকালীন চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি খামারে গরুগুলো রাখা হয়েছে।

কাতারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল গরুগুলো আমদানি করছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মৌতাজ আল-খায়াত গত মাসে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে বলেন, ৪ হাজার গরু কাতারে আনা গেলে, দেশের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদার ৩০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। নতুন একটি ব্র্যান্ডে বিক্রি করা হবে তাদের পণ্য। পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মৌতাজ আল-খায়াতের নামানুসারে ‘মি. আল-খায়াত’ নামে চালু হচ্ছে নতুন ব্র্যান্ড।

এদিকে, কাতারের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর অচলাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে কুযেত ও যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন কাতারের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একই উদ্দেশ্যে বুধবার সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তিনি। তবে কাতারের সংকটের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ভূমিকা রয়েছে। সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অন্য দেশগুলো কাতারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে, তাতে সমর্থন দেন ট্রাম্প।