ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

ভারতীয় ভিসা করতে যাচ্ছেন? অবশ্যই জানুন এই বিষয়গুলো

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় ভিসা পাওয়া দিনে দিনে আরও সহজ হচ্ছে ঠিকই তবে সামান্য ভুলের কারণে ভোগান্তি বেড়ে যেতে পারে অনেক গুণে। অবশ্যই তথ্যগত ভুল বা সামান্য অবহেলার কারণে সুন্দর একটি ট্যুরের পরিকল্পনা মিস করতে চাইবেন না আপনি। তাই কিছু সাধারণ তথ্য জেনে রাখুন, না জানলে হয়ত এগুলোই হবে আপনার অসাধারণ দূর্ভোগের কারণ!

১। ভারতীয় ভিসা অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এটা সবার জন্য বাধ্যতামূলক!

২। আবেদন ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য হাতের কাছে রাখুন। প্রয়োজনে একজনকে সাথে নিন যিনি আপনার তথ্যগুলো বলে দেবেন। ফর্ম ফিলাপের সময় বেঁধে দেওয়া থাকে। সেই সময়ের মধ্যে পূরণ করতে না পারলে আবার শুরু থেকে পূরণ করতে হয়। ‘সেভ’ করার সুযোগ আছে। বার বার সেভ করুন, তাহলে একই তথ্য আবার লেখার কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন।।

৩। ভিসা আবেদন ফর্ম জমা দিতে হবে নিকটস্থ আবেদনকেন্দ্রে। আপনি ভিসা ঢাকায় বসে অনলাইনে এপ্লাই করলেন। কিন্তু আপনি থাকেন যশোর বা অন্য কোথাও। আপনার আবাসিক স্থলের কাছের কেন্দ্রেই আপনাকে যেতে হবে। ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৪। যারা ঢাকায় আছেন তারা গুলশান, মতিঝিল, উত্তরা, মিরপুর আইভ্যাক সেন্টারে জমা দিতে পারবেন আপনার আবেদন ফর্মটি। সিলেট বিভাগের নাগরিকগণ সিলেটে, খুলনা বিভাগের নাগরিকরা খুলনায়, বরিশালের নাগরিক বরিশালে অর্থাৎ প্রত্যেক বিভাগে আলাদা আইভেক সেন্টার আছে এবং আপনার আবাসন অনুযায়ী আপনি সেখানেই জমা দেবেন। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার স্থায়ী ঠিকানা যেখানে সেখানে জমা দিতে হবে। আপনি বর্তমানে হয় ঢাকায় চাকরি করছেন, তাহলে ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় বেড়াতে এসে ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৫। বাংলাদেশি ছাড়া এদেশে অবস্থানরত অন্যান্য দেশের নাগরিকরা গুলশান ও চট্টগ্রাম আইভ্যাকে আবেদন ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

৬। একজন আবেদনকারীর জন্য ফর্ম একটাই। তবে আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেন বা কিছু ভুল করে থাকেন তাহলে সংশোধনের উপায় নেই। তখন আরেকটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

৭। অনলাইনে প্রাপ্ত এপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন নিয়ে উক্ত তারিখেই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে।

৮। কনফার্ম ভ্রমণ টিকিট থাকলে নির্দিষ্ট সেন্টারে আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে যে কোনোদিন ফর্ম জমা দিতে পারবেন। তবে দ্রুত যাওয়াই ভালো।

৯। আপনার আবেদনপত্রটি গৃহীত হল কিনা সেই আপডেট জানতে আপনি আইভ্যাকের টেলিফোন বা ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং আবেদন পত্রের স্টিকার নাম্বার বলতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ভারতীয় ভিসা করতে যাচ্ছেন? অবশ্যই জানুন এই বিষয়গুলো

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতীয় ভিসা পাওয়া দিনে দিনে আরও সহজ হচ্ছে ঠিকই তবে সামান্য ভুলের কারণে ভোগান্তি বেড়ে যেতে পারে অনেক গুণে। অবশ্যই তথ্যগত ভুল বা সামান্য অবহেলার কারণে সুন্দর একটি ট্যুরের পরিকল্পনা মিস করতে চাইবেন না আপনি। তাই কিছু সাধারণ তথ্য জেনে রাখুন, না জানলে হয়ত এগুলোই হবে আপনার অসাধারণ দূর্ভোগের কারণ!

১। ভারতীয় ভিসা অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এটা সবার জন্য বাধ্যতামূলক!

২। আবেদন ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য হাতের কাছে রাখুন। প্রয়োজনে একজনকে সাথে নিন যিনি আপনার তথ্যগুলো বলে দেবেন। ফর্ম ফিলাপের সময় বেঁধে দেওয়া থাকে। সেই সময়ের মধ্যে পূরণ করতে না পারলে আবার শুরু থেকে পূরণ করতে হয়। ‘সেভ’ করার সুযোগ আছে। বার বার সেভ করুন, তাহলে একই তথ্য আবার লেখার কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন।।

৩। ভিসা আবেদন ফর্ম জমা দিতে হবে নিকটস্থ আবেদনকেন্দ্রে। আপনি ভিসা ঢাকায় বসে অনলাইনে এপ্লাই করলেন। কিন্তু আপনি থাকেন যশোর বা অন্য কোথাও। আপনার আবাসিক স্থলের কাছের কেন্দ্রেই আপনাকে যেতে হবে। ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৪। যারা ঢাকায় আছেন তারা গুলশান, মতিঝিল, উত্তরা, মিরপুর আইভ্যাক সেন্টারে জমা দিতে পারবেন আপনার আবেদন ফর্মটি। সিলেট বিভাগের নাগরিকগণ সিলেটে, খুলনা বিভাগের নাগরিকরা খুলনায়, বরিশালের নাগরিক বরিশালে অর্থাৎ প্রত্যেক বিভাগে আলাদা আইভেক সেন্টার আছে এবং আপনার আবাসন অনুযায়ী আপনি সেখানেই জমা দেবেন। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার স্থায়ী ঠিকানা যেখানে সেখানে জমা দিতে হবে। আপনি বর্তমানে হয় ঢাকায় চাকরি করছেন, তাহলে ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় বেড়াতে এসে ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে না।

৫। বাংলাদেশি ছাড়া এদেশে অবস্থানরত অন্যান্য দেশের নাগরিকরা গুলশান ও চট্টগ্রাম আইভ্যাকে আবেদন ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

৬। একজন আবেদনকারীর জন্য ফর্ম একটাই। তবে আপনি যদি কোনো ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেন বা কিছু ভুল করে থাকেন তাহলে সংশোধনের উপায় নেই। তখন আরেকটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

৭। অনলাইনে প্রাপ্ত এপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন নিয়ে উক্ত তারিখেই আপনাকে ফর্ম জমা দিতে হবে।

৮। কনফার্ম ভ্রমণ টিকিট থাকলে নির্দিষ্ট সেন্টারে আবেদনের ১০ দিনের মধ্যে যে কোনোদিন ফর্ম জমা দিতে পারবেন। তবে দ্রুত যাওয়াই ভালো।

৯। আপনার আবেদনপত্রটি গৃহীত হল কিনা সেই আপডেট জানতে আপনি আইভ্যাকের টেলিফোন বা ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং আবেদন পত্রের স্টিকার নাম্বার বলতে হবে।