ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ

‘দেড় লাখ টাকার চুক্তিতে কারাভোগ করেন মিনু’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেড় লাখ টাকার চুক্তিতে কুলসুম আকতার কুলসুমীর বদলে মিনু বেগম ভাড়া কারাভোগ করেন। যাবজ্জীবন আসামির পরিবর্তে অন্যজন কারাভোগ করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামি কুলসুম আকতার কুলসুমী ও তার সহযোগী মর্জিনা বেগম আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য উল্লেখ করেন।

রবিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে এ জবানবন্দি দেন তারা। জবানবন্দি শেষে আদালত কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও সহযোগী মার্জিনা আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কোতোয়ালী থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন. ‘গ্রেফতারকৃতরা দেড় লাখ টাকায় চুক্তি করে কুলসুমীর পরিবর্তে মিনুকে কারাগারে পাঠান। যদিও চুক্তি মত টাকা পরিশোধ করা হয়নি মিনুকে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া দুইজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

কোতোয়ালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুলসুমী যাবজ্জীবন সাজা থেকে বাঁচতে মর্জিনা বেগমের মাধ্যমে মো. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে। পরে মো. নুর আলম কাওয়াল ও শাহাদাত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ভাড়ায় বন্দি হিসেবে খাটার জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তাদের প্রস্তাবে রাজি হয় কুলুসুমী। মিনুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ও এক মাসের মধ্যে জামিন করিয়ে দেবে বলে চুক্তি করেন।

২০১৮ সালের ১২ জুলাই মিনুকে মর্জিনা বেগমের সঙ্গে আদালতে পাঠায়। গ্রেফতার মো. শাহাদাত হোসেন ও মর্জিনা বেগম মিনুকে আদালতে কুলসুমা সাজিয়ে হাজির করেন এবং কুলসুমা হিসেবে ডাক দেওয়ার সাথে সাথে মিনু হাজতে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে মিনু কারাগারে যাওয়ার পর গ্রেফতার মো. শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল মর্জিনা বেগমের কাছ থেকে পাওনা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাইলে মর্জিনা ও কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা জোগাড় করতে না পারায় কালক্ষেপণ করতে থাকে। টাকা দিতে না পারায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক করেন। একপর্যায়ে মর্জিনা ও কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা দিতে না পেরে ইপিজেড এলাকায় নিজেদের আত্মগোপন করে রাখে। টাকা না পেয়ে শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল ছিন্নমূল এলাকায় কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও মর্জিনা বেগমের থাকা ২টি প্লট জোরপূর্বক দখল করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অনড় ট্রাম্প, বললেন পিছু হটার সুযোগ নেই

‘দেড় লাখ টাকার চুক্তিতে কারাভোগ করেন মিনু’

আপডেট সময় ১১:০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেড় লাখ টাকার চুক্তিতে কুলসুম আকতার কুলসুমীর বদলে মিনু বেগম ভাড়া কারাভোগ করেন। যাবজ্জীবন আসামির পরিবর্তে অন্যজন কারাভোগ করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামি কুলসুম আকতার কুলসুমী ও তার সহযোগী মর্জিনা বেগম আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য উল্লেখ করেন।

রবিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে এ জবানবন্দি দেন তারা। জবানবন্দি শেষে আদালত কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও সহযোগী মার্জিনা আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কোতোয়ালী থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন. ‘গ্রেফতারকৃতরা দেড় লাখ টাকায় চুক্তি করে কুলসুমীর পরিবর্তে মিনুকে কারাগারে পাঠান। যদিও চুক্তি মত টাকা পরিশোধ করা হয়নি মিনুকে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া দুইজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

কোতোয়ালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুলসুমী যাবজ্জীবন সাজা থেকে বাঁচতে মর্জিনা বেগমের মাধ্যমে মো. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে। পরে মো. নুর আলম কাওয়াল ও শাহাদাত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ভাড়ায় বন্দি হিসেবে খাটার জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তাদের প্রস্তাবে রাজি হয় কুলুসুমী। মিনুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ও এক মাসের মধ্যে জামিন করিয়ে দেবে বলে চুক্তি করেন।

২০১৮ সালের ১২ জুলাই মিনুকে মর্জিনা বেগমের সঙ্গে আদালতে পাঠায়। গ্রেফতার মো. শাহাদাত হোসেন ও মর্জিনা বেগম মিনুকে আদালতে কুলসুমা সাজিয়ে হাজির করেন এবং কুলসুমা হিসেবে ডাক দেওয়ার সাথে সাথে মিনু হাজতে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে মিনু কারাগারে যাওয়ার পর গ্রেফতার মো. শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল মর্জিনা বেগমের কাছ থেকে পাওনা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাইলে মর্জিনা ও কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা জোগাড় করতে না পারায় কালক্ষেপণ করতে থাকে। টাকা দিতে না পারায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক করেন। একপর্যায়ে মর্জিনা ও কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা দিতে না পেরে ইপিজেড এলাকায় নিজেদের আত্মগোপন করে রাখে। টাকা না পেয়ে শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল ছিন্নমূল এলাকায় কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও মর্জিনা বেগমের থাকা ২টি প্লট জোরপূর্বক দখল করে।