ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন

প্রথম দিনে গ্রেফতার ৫৫০ জন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার করা হয়েছে ৫৫০ জনকে। সাজা দেওয়া হয়েছে ৮ ব্যক্তিকে।

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৭৪টি গাড়িকে মামলা দেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৬টি গাড়ি। রেকারিং করা হয়েছে মোট ৭৭টি গাড়ি। ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক জরিমানা করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া যারাই বের হবে তাদেরকেই মামলার মুখোমুখি হতে হবে। গ্রেফতারকৃতদের বাইরে যারা আটক হয়েছেন তারা যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর যদি যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারে সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়ে চলাচলকারী যানবাহনে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদা করছে পুলিশ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা। তবে যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে রাজধানীতে মাস্ক বিতরণ করতে দেখা গেছে।

এদিকে সকালের দিকে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো কড়া নজরদারি ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। ঢাকায় ঢুকতে যানবাহনগুলোকে যৌক্তিকতা তুলে ধরতে হয়েছে পুলিশ-র‌্যাবের কাছে। এজন্য প্রবেশপথগুলো দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকাভেদে তদারকি কিছুটা কম পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় রাস্তাগুলো ছিল অনেকটাই ফাঁকা। এ ছাড়া প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তৎপরতা বেশি থাকলেও বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে সেভাবে তাদের তৎপরতা চোখে পড়েনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি

প্রথম দিনে গ্রেফতার ৫৫০ জন

আপডেট সময় ১১:২২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার করা হয়েছে ৫৫০ জনকে। সাজা দেওয়া হয়েছে ৮ ব্যক্তিকে।

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৭৪টি গাড়িকে মামলা দেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৬টি গাড়ি। রেকারিং করা হয়েছে মোট ৭৭টি গাড়ি। ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক জরিমানা করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া যারাই বের হবে তাদেরকেই মামলার মুখোমুখি হতে হবে। গ্রেফতারকৃতদের বাইরে যারা আটক হয়েছেন তারা যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর যদি যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারে সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়ে চলাচলকারী যানবাহনে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদা করছে পুলিশ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা। তবে যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে রাজধানীতে মাস্ক বিতরণ করতে দেখা গেছে।

এদিকে সকালের দিকে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো কড়া নজরদারি ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। ঢাকায় ঢুকতে যানবাহনগুলোকে যৌক্তিকতা তুলে ধরতে হয়েছে পুলিশ-র‌্যাবের কাছে। এজন্য প্রবেশপথগুলো দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকাভেদে তদারকি কিছুটা কম পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় রাস্তাগুলো ছিল অনেকটাই ফাঁকা। এ ছাড়া প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তৎপরতা বেশি থাকলেও বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে সেভাবে তাদের তৎপরতা চোখে পড়েনি।