ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম ও জ্বালানি নিয়ে লুকোচুরি করছে সরকার: জামায়াত আমির সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চাঁদপুরের যুবক নিহত নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছে দলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবির:অভিযোগ রাশেদ খাঁনের পূর্বাচলে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু করতে চান তামিম বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে হবে : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী সরকার গত ২ মাসে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে : প্রেস সচিব সংসদ বয়কটে ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র, অধিকার বঞ্চিত জনগণ : স্পিকার হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

হাম ও জ্বালানি নিয়ে লুকোচুরি করছে সরকার: জামায়াত আমির

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর, শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রী আটক

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় শিক্ষক স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া পুকুরপাড় বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব বংকিরাট গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন শাহ (৪০) ও তার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনা (৩০)।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মামলার বরাত দিয়ে জানান, উল্লাপাড়ার বেতকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে পাপিয়া সুলতানার সাথে স্কুল শিক্ষ ইকবাল হোসেনের ২০২০ সালের আগস্টে বিয়ে হয়। এর আগে একই গ্রামের সোনিয়া পারভীন মিনার সঙ্গে ইকবালের বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর তাদের বিচ্ছেদ হয়েছিল। পাপিয়া সুলতানের সাথে বিয়ের সময় ইকবালকে যৌতুক হিসেবে ৫ ভরি সোনার গহনা ও নগদ আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও ইকবাল পাপিয়ার কাছে দশ লাখ টাকার যৌতুক দাবি করে। এতে অসম্মতি জানালে পাপিয়াকে ইকবাল প্রায়শই মারধর করতেন।

তিনি আরও জানান, কয়েকদিন আগে ইকবাল প্রথম স্ত্রী সোনিয়া পারভীন মিনাকে তার শ্যামলীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার ইকবাল ফের পাপিয়ার কাছে আবারো দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পাপিয়া অপারগতা প্রকাশ করলে ইকবাল এবং তার প্রথম স্ত্রী মিনা দুইজনে মিলে পাপিয়াকে বেধড়ক মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পাপিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় পাপিয়া সুলতানা বাদী হয়ে স্বামী ইকবাল ও প্রথম স্ত্রী মিনার বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া মডেল থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।