ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, সেই ব্যবসায়ীর সন্ধান মিলল চা বাগানে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী শশাংক কুমার দত্তকে (৫৮) গভীর রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার দক্ষিণ বাহাদুরপুর চা বাগান থেকে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, অপহরণকারী চক্রের সদস্য চন্ডিনগর গ্রামের সবুজ হোসেন, ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইসমাইল আহমদ ওরফে হারুন ও বোবারথল গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে জুলমান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সবুজ হোসেন অপহরণের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানান তিনি।

শশাংক কুমার দত্ত বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকার সতেন্দ্র কুমার দত্তের ছেলে। বড়লেখা পৌরশহরে তার একটি ফিলিং স্টেশন, রড-সিমেন্টসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিলেটে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে তিনি বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর এলাকায় অপহরণের শিকার হন অপহরণকারীরা তাকে নোহা গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ছোট ভাইয়ের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, অপহৃতের ছোট ভাই তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশের বিশেষ টিম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শশাংককে উদ্ধারে অভিযানে নামে। রোববার রাত দেড়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউছার দস্তগীরের নেতৃত্বে পুলিশ, ডিবি ও র্যাাবের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নির্জন চা বাগান থেকে অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন।

বড়লেখা থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, তারা মুক্তিপণ ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অপহরণে অন্যান্য জড়িতদের বিষয়ে জানতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, সেই ব্যবসায়ীর সন্ধান মিলল চা বাগানে

আপডেট সময় ১০:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী শশাংক কুমার দত্তকে (৫৮) গভীর রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার দক্ষিণ বাহাদুরপুর চা বাগান থেকে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, অপহরণকারী চক্রের সদস্য চন্ডিনগর গ্রামের সবুজ হোসেন, ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইসমাইল আহমদ ওরফে হারুন ও বোবারথল গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে জুলমান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সবুজ হোসেন অপহরণের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানান তিনি।

শশাংক কুমার দত্ত বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকার সতেন্দ্র কুমার দত্তের ছেলে। বড়লেখা পৌরশহরে তার একটি ফিলিং স্টেশন, রড-সিমেন্টসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিলেটে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে তিনি বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর এলাকায় অপহরণের শিকার হন অপহরণকারীরা তাকে নোহা গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ছোট ভাইয়ের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, অপহৃতের ছোট ভাই তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশের বিশেষ টিম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শশাংককে উদ্ধারে অভিযানে নামে। রোববার রাত দেড়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউছার দস্তগীরের নেতৃত্বে পুলিশ, ডিবি ও র্যাাবের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নির্জন চা বাগান থেকে অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন।

বড়লেখা থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, তারা মুক্তিপণ ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অপহরণে অন্যান্য জড়িতদের বিষয়ে জানতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ড চাওয়া হবে।