ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম

সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা বাহিনীর বর্বরতা রোধে গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে হুশিয়ারি জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টেনিও গুটারেস। রোহিঙ্গা পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, সুচি এখনই কোনো ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হবে। খবর বিবিসির।

জাতিসংঘ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনকে ‘জাতিগত হত্যাযজ্ঞ’ উল্লেখ করে তা বন্ধে বারবার সতর্ক করে আসছে। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেনা বাহিনীর অভিযানকে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বলে অাখ্যা দিয়ে এতে কোনো বেসামরিক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না বলে দাবি করেছে।

বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, পরিস্থিতির পরিবর্তনে সুচি কোনো ব্যবস্থা না নিলে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তন আসবে তা নিয়েও ভয়ের কারণ রয়েছে। আর আসলে আমি জানি না সেই ভয়ানক পরিস্থিতির পরিবর্তন কিভাবে আসবে। জাতিসংঘ মহাসচিব শিগগিরই রোহিঙ্গা সংকট নিরসন করে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।

গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়। এর ফলে বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল শুরু হয়। জাতিসংঘের হিসাবে এ পর্যন্ত চার লাখের মত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তা ১০ লাখে পৌঁছাতে পারে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, ২৫ আগস্ট মংডুর নিরাপত্তা চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগ তুলে সেনা অভিযান শুরু হলেও তার বেশকিছু দিন আগেই মংডুতে অবস্থান নিতে শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা ২ আগস্ট একটি গ্রাম কর্ডন করে বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের নিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা ও তাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়। এরপর থেকেই বাড়ানো হয় সেনাসদস্যদের উপস্থিতি। এ সময় সরিয়ে নেয়া হয় বৌদ্ধদের। এরপর ২৫ আগস্ট হামলার দাবি করে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন্স’ শুরু করে মিয়ানমারের সেনারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা, ক্ষোভে প্রতিবেশীর বাড়িতে জনতার দেওয়া আগুনে বৃদ্ধার মৃত্যু

সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট সময় ০২:৩১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা বাহিনীর বর্বরতা রোধে গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে হুশিয়ারি জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টেনিও গুটারেস। রোহিঙ্গা পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, সুচি এখনই কোনো ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হবে। খবর বিবিসির।

জাতিসংঘ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনকে ‘জাতিগত হত্যাযজ্ঞ’ উল্লেখ করে তা বন্ধে বারবার সতর্ক করে আসছে। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেনা বাহিনীর অভিযানকে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বলে অাখ্যা দিয়ে এতে কোনো বেসামরিক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না বলে দাবি করেছে।

বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, পরিস্থিতির পরিবর্তনে সুচি কোনো ব্যবস্থা না নিলে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তন আসবে তা নিয়েও ভয়ের কারণ রয়েছে। আর আসলে আমি জানি না সেই ভয়ানক পরিস্থিতির পরিবর্তন কিভাবে আসবে। জাতিসংঘ মহাসচিব শিগগিরই রোহিঙ্গা সংকট নিরসন করে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।

গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়। এর ফলে বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল শুরু হয়। জাতিসংঘের হিসাবে এ পর্যন্ত চার লাখের মত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তা ১০ লাখে পৌঁছাতে পারে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, ২৫ আগস্ট মংডুর নিরাপত্তা চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগ তুলে সেনা অভিযান শুরু হলেও তার বেশকিছু দিন আগেই মংডুতে অবস্থান নিতে শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা ২ আগস্ট একটি গ্রাম কর্ডন করে বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের নিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা ও তাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়। এরপর থেকেই বাড়ানো হয় সেনাসদস্যদের উপস্থিতি। এ সময় সরিয়ে নেয়া হয় বৌদ্ধদের। এরপর ২৫ আগস্ট হামলার দাবি করে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন্স’ শুরু করে মিয়ানমারের সেনারা।