ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

নারায়ণগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কিলার পাপ্পু গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মেহেদি হাসান পাপ্পু নামে এক দুর্ধর্ষ কিলারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিলার মেহেদী হাসান পাপ্পু ফতুল্লার তল্লা এলাকার মাহবুব কাজীর ছেলে।

সোমবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ২০০১ সালে তল্লা এলাকার রুবেল হত্যায় মেহেদি হাসান পাপ্পুকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। এছাড়া মেহেদি হাসান পাপ্পু ও তার সহযোগীরা ২০০৪ সালে তল্লা সুপারীবাগান এলাকায় চার তলা একটি বাড়িতে মুরাদ নামে এক যুবককে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। ২০০৯ সালে নগর খানপুর এলাকায় খোকা ও সোহাগ নামে দুই যুবককে গলা কেটে করে দাউদকান্দি এলাকায় ফেলে দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

নারায়ণগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কিলার পাপ্পু গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:২১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মেহেদি হাসান পাপ্পু নামে এক দুর্ধর্ষ কিলারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিলার মেহেদী হাসান পাপ্পু ফতুল্লার তল্লা এলাকার মাহবুব কাজীর ছেলে।

সোমবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ২০০১ সালে তল্লা এলাকার রুবেল হত্যায় মেহেদি হাসান পাপ্পুকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। এছাড়া মেহেদি হাসান পাপ্পু ও তার সহযোগীরা ২০০৪ সালে তল্লা সুপারীবাগান এলাকায় চার তলা একটি বাড়িতে মুরাদ নামে এক যুবককে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। ২০০৯ সালে নগর খানপুর এলাকায় খোকা ও সোহাগ নামে দুই যুবককে গলা কেটে করে দাউদকান্দি এলাকায় ফেলে দেয়।