আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাত ১০টার দিকে পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফৌজিয়ার লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে।
এতে লেখা রয়েছে- ‘আমি ফৌজিয়া আক্তার, আমি আমার শ্বশুরবাড়ির মানসিক অত্যাচার সইতে না পেরে মৃত্যুবরণ করলাম। আমার মৃত্যুর জন্য আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ দায়ী (ফৌজিয়া আক্তার)’।
এদিকে নিহতের বড়ভাই আফজাল হোসেন ফৌজিয়ার প্রতি মানসিক অত্যাচার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে ফৌজিয়ার স্বামী আলমগীরসহ ৪ জনকে আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার পর ফৌজিয়ার স্বামী আলমগীর গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আলমগীরের বড়ভাই আমিনুল (৪৫), দুই বোন তাছলিমা আক্তার ঝিনুক (৪২) ও নাদিয়া (৩৫)।
ফৌজিয়ার ভাই আফজাল জানান, ফৌজিয়া মাস্টার্স পাস করেছিল। আলমগীরের সঙ্গে ফৌজিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দেড় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আলমগীর নানা অজুহাতে আমাদের পরিবারের কাছ থেকে ৭-৮ লাখ টাকা নিয়েছে। সর্বশেষ সে ব্যবসার কথা বলে আবারও টাকা দাবি করছিল। বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে ফৌজিয়ার ওপর। আলমগীরসহ অন্যরা তার ওপর মানসিক অত্যাচার শুরু করে। এ নিয়ে প্রায়ই ফৌজিয়া মোবাইলে তাদের বলত আর কান্নাকাটি করত। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কারণে ফৌজিয়া আত্মহত্যা করেছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনায় ‘প্ররোচনার’ অভিযোগে স্বামীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। মামলায় গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























