ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আগামী নির্বাচন অবশ্যই অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সভাপতির বক্তব্য এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অবশ্যই যথাসময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। কাউকে জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করবে। আমরা সেটা নিশ্চিত করব। এটা নিয়ে অহেতুক পানি ঘোলা করার চেষ্টা করা, আর সংবিধান লঙ্ঘন করে অন্য কিছু করার কোনো সুযোগ নেই।’

নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বিএনপির তোলা বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার হাসিই পায়-বিএনপি যখন নির্বাচন নিয়ে কথা বলে। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলে, তখন মনে হয় আয়নায় তাদের নিজেদের মুখটা দেখা উচিত।

১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচন পূর্ব পরিকল্পিত ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগেই ঠিক ছিল আওয়ামী লীগকে ৪০ টির বেশি আসন দেওয়া হবে না; ৩৯টি আসন পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং বিএনপির আমলে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচন এবং মিরপুরের উপনির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট চুরির অপরাধে নির্বাচনের দেড় মাসের মাথায় জনগণ আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগে বাধ্য করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয় সে জন্য যা যা করণীয় তার সব আমরা, আওয়ামী লীগই করেছি। আমরা যে ১৪ দলীয় জোট করেছিলাম সেখান থেকেই প্রস্তাব দিয়েছিলাম কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং জনগণকে যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তা রেখেছি।’ সরকার প্রধান দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘কাজেই জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। অন্তত, আমরা তা হতে দেব না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আগামী নির্বাচন অবশ্যই অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সভাপতির বক্তব্য এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অবশ্যই যথাসময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। কাউকে জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করবে। আমরা সেটা নিশ্চিত করব। এটা নিয়ে অহেতুক পানি ঘোলা করার চেষ্টা করা, আর সংবিধান লঙ্ঘন করে অন্য কিছু করার কোনো সুযোগ নেই।’

নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বিএনপির তোলা বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার হাসিই পায়-বিএনপি যখন নির্বাচন নিয়ে কথা বলে। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলে, তখন মনে হয় আয়নায় তাদের নিজেদের মুখটা দেখা উচিত।

১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচন পূর্ব পরিকল্পিত ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগেই ঠিক ছিল আওয়ামী লীগকে ৪০ টির বেশি আসন দেওয়া হবে না; ৩৯টি আসন পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং বিএনপির আমলে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচন এবং মিরপুরের উপনির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট চুরির অপরাধে নির্বাচনের দেড় মাসের মাথায় জনগণ আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগে বাধ্য করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয় সে জন্য যা যা করণীয় তার সব আমরা, আওয়ামী লীগই করেছি। আমরা যে ১৪ দলীয় জোট করেছিলাম সেখান থেকেই প্রস্তাব দিয়েছিলাম কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং জনগণকে যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তা রেখেছি।’ সরকার প্রধান দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘কাজেই জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। অন্তত, আমরা তা হতে দেব না।’