আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাত একটার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় শাবল দিয়ে বড় ভাই আসাদকে হত্যা করার পর ভাবি পারভীন আক্তার ও ভাতিজা লিওনকে হত্যা করে। পরে ঘরের পাশেই একটি গর্ত খুঁড়ে প্রথমে গর্তে ভাই আসাদুজ্জামান পরে ভাবি এবং ভাতিজাকে রেখে মাটিচাপা দিয়ে রাখে।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মাটিচাপা স্বামী-স্ত্রী ও তার ছেলের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক নিহতের ছোট ভাই দীন ইসলাম আদালতে এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি একাই তিনজনকে একাই হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুন নূরের আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, এর আগে প্রধান আসামি দীন ইসলাম ১৬১ ধারায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের কাছেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
হোসেনপুর-কটিয়াদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোনাহর আলী বলেন, এ মামলায় আটক প্রধান আসামি নিহত আসাদ মিয়ার ছোট ভাই দীন ইসলাম, ভগ্নীপতি আলামিন, বোন নাজমা ও কেওয়াকে শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুন নূরের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জামষাইট কান্দাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি সংলগ্ন বাঁশঝাড় থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত থেকে ওই গ্রামের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় তারা তিনজন। ওই রাতেই তাদের মেঝ ছেলে মোফাজ্জল এ ঘটনা কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশকে জানায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ওই বাঁশঝাড়ে নতুন মাটি দেখে সন্দেহ হয় ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরা বড় ছেলে তোফাজ্জলের।
পরে খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ সময় একই গর্ত থেকে নিখোঁজ এ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























