ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

বিশ্ববাসীর উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো: বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, সব দেশ যদি রোহিঙ্গাদের ভাগাভাগি করে নেয়, তাহলে বাংলাদেশের ওপর চাপ কমবে। এ নিয়ে বিশ্বকে এগিয়ে আসা উচিত। বুধবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমারের আচরণকে অমানবিক। মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা মানবিক দিক থেকে বিষয়টি দেখছি। আমাদের সক্ষমতারও একটা সীমাবদ্ধতা আছে। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার যা করছে এটা অমানবিক কাজ। মানবিক দিক বিবেচনা করে দুর্যোগকে ভাগাভাগি করে নিতে হবে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া একা আমাদের জন্য কঠিন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘ভৌগোলিক কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ নয়।’  আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববাসীর উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো।’

এর আগে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মালদ্বীপ এরই মধ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। বাংলাদেশ এ রকম কিছু করবে কি না জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের মধ্যে ভৌগোলিকভাবে যথেষ্ট দূরত্ব আছে। কিন্তু আমরা নিকট প্রতিবেশী।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সু চির শান্তির নমুনা বিশ্ববাসী দেখেছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনায় এ দুর্যোগ, দুর্ভোগ ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত। আমাদের সামর্থ্য সীমিত। মানবিক দিক বিবেচনায় যতটুকু সম্ভব, ততটুকু করেছি।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমার মায়ের বয়সী বৃদ্ধাকেও মিয়ানমারের নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য কোলে করে সীমান্ত পার করে এখানে নিয়ে আসা হচ্ছে।

কোমলমতি শিশুরা বাঁচার জন্য কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে দলে দলে আসছে। দৃশ্যগুলো সত্যিকার অর্থে মর্মান্তিক। আমরা যেভাবে আশ্রয় দিচ্ছি, মানবিক সাহায্য দিচ্ছি এভাবে যদি বিশ্বের অন্য দেশগুলো দুর্যোগকে ভাগাভাগি করে নিত, তবে তাদের দুর্ভোগ অনেক কমে যেত।’

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নোবেল পদক প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এটা কি শান্তির নমুনা? তিনি কোন গুণাবলির কারণে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন? নির্বিচারে রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হচ্ছে। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মধ্যে মানবিক গুণাবলি দেখছি না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাসীর উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, সব দেশ যদি রোহিঙ্গাদের ভাগাভাগি করে নেয়, তাহলে বাংলাদেশের ওপর চাপ কমবে। এ নিয়ে বিশ্বকে এগিয়ে আসা উচিত। বুধবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমারের আচরণকে অমানবিক। মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা মানবিক দিক থেকে বিষয়টি দেখছি। আমাদের সক্ষমতারও একটা সীমাবদ্ধতা আছে। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার যা করছে এটা অমানবিক কাজ। মানবিক দিক বিবেচনা করে দুর্যোগকে ভাগাভাগি করে নিতে হবে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া একা আমাদের জন্য কঠিন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘ভৌগোলিক কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ নয়।’  আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববাসীর উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো।’

এর আগে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মালদ্বীপ এরই মধ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। বাংলাদেশ এ রকম কিছু করবে কি না জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের মধ্যে ভৌগোলিকভাবে যথেষ্ট দূরত্ব আছে। কিন্তু আমরা নিকট প্রতিবেশী।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সু চির শান্তির নমুনা বিশ্ববাসী দেখেছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনায় এ দুর্যোগ, দুর্ভোগ ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত। আমাদের সামর্থ্য সীমিত। মানবিক দিক বিবেচনায় যতটুকু সম্ভব, ততটুকু করেছি।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমার মায়ের বয়সী বৃদ্ধাকেও মিয়ানমারের নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য কোলে করে সীমান্ত পার করে এখানে নিয়ে আসা হচ্ছে।

কোমলমতি শিশুরা বাঁচার জন্য কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে দলে দলে আসছে। দৃশ্যগুলো সত্যিকার অর্থে মর্মান্তিক। আমরা যেভাবে আশ্রয় দিচ্ছি, মানবিক সাহায্য দিচ্ছি এভাবে যদি বিশ্বের অন্য দেশগুলো দুর্যোগকে ভাগাভাগি করে নিত, তবে তাদের দুর্ভোগ অনেক কমে যেত।’

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নোবেল পদক প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এটা কি শান্তির নমুনা? তিনি কোন গুণাবলির কারণে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন? নির্বিচারে রোহিঙ্গাদের হত্যা করা হচ্ছে। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মধ্যে মানবিক গুণাবলি দেখছি না।’