ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

ডা. সাবরিনাকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা টেস্ট জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এই আদেশ দেন। সাবরিনার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ ডিভিশন দেয়ার এই আবেদন করেন।

আইনজীবী বলেন, ডা. সাবরিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাকে যেন ডিভিশন দেয়া হয় সেজন্য আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ইয়াছিন সরকার নামের আরও একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হলো।

ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। তার কারণেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ পায় জেকেজি হেলথকেয়ার। প্রথমে তিতুমীর কলেজ মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা, নায়ায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে। নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেয় তারা। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়ে এবং বুথ থেকেও নমুনা সংগ্রহ করতেন। এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তারা ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়। যার মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে। প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানের বিনিময়ে তারা পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এসব অভিযোগে ২৩ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপরেই আলোচনায় আসেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা। পরে ১২ জুলাই সাবরিনা চৌধুরীকে পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েক দফায় রিমান্ডের পর তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

ডা. সাবরিনাকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা টেস্ট জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এই আদেশ দেন। সাবরিনার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ ডিভিশন দেয়ার এই আবেদন করেন।

আইনজীবী বলেন, ডা. সাবরিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাকে যেন ডিভিশন দেয়া হয় সেজন্য আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ইয়াছিন সরকার নামের আরও একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হলো।

ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। তার কারণেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ পায় জেকেজি হেলথকেয়ার। প্রথমে তিতুমীর কলেজ মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা, নায়ায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে। নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেয় তারা। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়ে এবং বুথ থেকেও নমুনা সংগ্রহ করতেন। এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তারা ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়। যার মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে। প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানের বিনিময়ে তারা পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এসব অভিযোগে ২৩ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপরেই আলোচনায় আসেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা। পরে ১২ জুলাই সাবরিনা চৌধুরীকে পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েক দফায় রিমান্ডের পর তিনি কারাগারেই রয়েছেন।