ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডা. সাবরিনাকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা টেস্ট জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এই আদেশ দেন। সাবরিনার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ ডিভিশন দেয়ার এই আবেদন করেন।

আইনজীবী বলেন, ডা. সাবরিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাকে যেন ডিভিশন দেয়া হয় সেজন্য আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ইয়াছিন সরকার নামের আরও একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হলো।

ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। তার কারণেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ পায় জেকেজি হেলথকেয়ার। প্রথমে তিতুমীর কলেজ মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা, নায়ায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে। নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেয় তারা। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়ে এবং বুথ থেকেও নমুনা সংগ্রহ করতেন। এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তারা ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়। যার মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে। প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানের বিনিময়ে তারা পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এসব অভিযোগে ২৩ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপরেই আলোচনায় আসেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা। পরে ১২ জুলাই সাবরিনা চৌধুরীকে পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েক দফায় রিমান্ডের পর তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডা. সাবরিনাকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা টেস্ট জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এই আদেশ দেন। সাবরিনার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ ডিভিশন দেয়ার এই আবেদন করেন।

আইনজীবী বলেন, ডা. সাবরিনা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাকে যেন ডিভিশন দেয়া হয় সেজন্য আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ইয়াছিন সরকার নামের আরও একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হলো।

ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। তার কারণেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ পায় জেকেজি হেলথকেয়ার। প্রথমে তিতুমীর কলেজ মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা, নায়ায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে। নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেয় তারা। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়ে এবং বুথ থেকেও নমুনা সংগ্রহ করতেন। এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তারা ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়। যার মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে। প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানের বিনিময়ে তারা পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এসব অভিযোগে ২৩ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপরেই আলোচনায় আসেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা। পরে ১২ জুলাই সাবরিনা চৌধুরীকে পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কয়েক দফায় রিমান্ডের পর তিনি কারাগারেই রয়েছেন।