ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মিরসরাইয়ে প্রকাশ্যে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. ফজলুলকে মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি ফরফরিয়া গ্রামের মো. সফিউল আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ১০-১২জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে দমদমা এলাকায় রাস্তার ওপর মো. ফজলুলকে কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি মারা যান।

উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী জানান, ফজলুল যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।

নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জহির জানান, গত ২৫ জানুয়ারি নিজামপুর কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের নুরুল আমিন মুহুরীর মৃত্যুর পর থেকে মো. ফজলুল পালাতক ছিলেন। তিনি মুহুরী হত্যা মামলার প্রধান আসামি , সাহেরখালী ইউনিয়নের তৌহিদ হত্যা মামলার দুই নন্বর আসামি এবং কমলহদ এলাকায় মমতাজ উদ্দিন টিপু হত্যা মামলার ৫ নম্বর আসামি ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অপতথ্য রোধে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র : তথ্যমন্ত্রী

মিরসরাইয়ে প্রকাশ্যে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৩২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. ফজলুলকে মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি ফরফরিয়া গ্রামের মো. সফিউল আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ১০-১২জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে দমদমা এলাকায় রাস্তার ওপর মো. ফজলুলকে কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি মারা যান।

উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী জানান, ফজলুল যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।

নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জহির জানান, গত ২৫ জানুয়ারি নিজামপুর কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের নুরুল আমিন মুহুরীর মৃত্যুর পর থেকে মো. ফজলুল পালাতক ছিলেন। তিনি মুহুরী হত্যা মামলার প্রধান আসামি , সাহেরখালী ইউনিয়নের তৌহিদ হত্যা মামলার দুই নন্বর আসামি এবং কমলহদ এলাকায় মমতাজ উদ্দিন টিপু হত্যা মামলার ৫ নম্বর আসামি ছিলেন।