ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিপাকে মিসবাহ-আজহার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

পাকিস্তানের বর্তমান ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো পছন্দ নয় অনেক তারকা ক্রিকেটারের। নতুন সিস্টেমের কারণে অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। গত বছর থেকে চালু হওয়া নতুন এই কাঠামো অবশ্য প্রধানমন্ত্রী ইমরানেরই প্রস্তাবিত।

দেশটির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খানের সঙ্গে নতুন ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে কথা বলতে তার অফিসে যান জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক কাম প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক, টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ।

কিন্তু তারা যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন সেটা জানত না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গিয়ে মিসবাহ-আজহার-হাফিজরা পিসিবির চেয়ারম্যান এহসান মানি ও প্রধান নির্বাহীকে দেখতে পেয়ে চমকিয়ে যান।

আজহার আলী ও মিসবাহ-উল হক ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিসিবিকে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিপদেই পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার বিষয়টি কেন তারা গোপন করেছেন-সেজন্য আজহার আলী ও মিসবাহর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি।

মিসবাহ ও আজাহারের এমন আচরণে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাদের কর্মের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য আগামী সপ্তাহে ডাকা হবে।

গত মৌসুম থেকেই পাকিস্তানের ঘরোয়া কাঠামোতে চালু হয় যে, শুধু ছয়টি আঞ্চলিক দল অংশ নিতে পারবে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে দল না থাকায় সিনিয়র ক্রিকেটাররা অখুশি, তাদের আয় কমছে। ডিপার্টমেন্ট দলগুলোর হয়ে খেলতে গিয়ে বেতনের পাশাপাশি তারা যে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেতেন সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

ইমরান খানের সঙ্গে পিসিবি চেয়ারম্যান ও মিসবাহদের বৈঠক নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, প্রতিটা প্রক্রিয়াকেই অন্তত দুই তিন বছর সময় দেয়া উচিত। এক বছর বা এ রকম সময় পর এই কাঠামোর ফল পাওয়া যাবে। যদি প্রধানমন্ত্রী ভেবে থাকেন এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বমানের ক্রিকেটার উঠে আসবে, তাহলে তার সিদ্ধান্তকে আমাদের এক বছর বা ১৮ মাস সময় দেয়া উচিত। তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিপাকে মিসবাহ-আজহার

আপডেট সময় ০৮:৪৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

পাকিস্তানের বর্তমান ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো পছন্দ নয় অনেক তারকা ক্রিকেটারের। নতুন সিস্টেমের কারণে অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। গত বছর থেকে চালু হওয়া নতুন এই কাঠামো অবশ্য প্রধানমন্ত্রী ইমরানেরই প্রস্তাবিত।

দেশটির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খানের সঙ্গে নতুন ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে কথা বলতে তার অফিসে যান জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক কাম প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক, টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ।

কিন্তু তারা যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন সেটা জানত না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গিয়ে মিসবাহ-আজহার-হাফিজরা পিসিবির চেয়ারম্যান এহসান মানি ও প্রধান নির্বাহীকে দেখতে পেয়ে চমকিয়ে যান।

আজহার আলী ও মিসবাহ-উল হক ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিসিবিকে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিপদেই পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার বিষয়টি কেন তারা গোপন করেছেন-সেজন্য আজহার আলী ও মিসবাহর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি।

মিসবাহ ও আজাহারের এমন আচরণে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাদের কর্মের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য আগামী সপ্তাহে ডাকা হবে।

গত মৌসুম থেকেই পাকিস্তানের ঘরোয়া কাঠামোতে চালু হয় যে, শুধু ছয়টি আঞ্চলিক দল অংশ নিতে পারবে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে দল না থাকায় সিনিয়র ক্রিকেটাররা অখুশি, তাদের আয় কমছে। ডিপার্টমেন্ট দলগুলোর হয়ে খেলতে গিয়ে বেতনের পাশাপাশি তারা যে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেতেন সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

ইমরান খানের সঙ্গে পিসিবি চেয়ারম্যান ও মিসবাহদের বৈঠক নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, প্রতিটা প্রক্রিয়াকেই অন্তত দুই তিন বছর সময় দেয়া উচিত। এক বছর বা এ রকম সময় পর এই কাঠামোর ফল পাওয়া যাবে। যদি প্রধানমন্ত্রী ভেবে থাকেন এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বমানের ক্রিকেটার উঠে আসবে, তাহলে তার সিদ্ধান্তকে আমাদের এক বছর বা ১৮ মাস সময় দেয়া উচিত। তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না।