ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনার আড়ালে ঢাকাকে কী বার্তা দিল দিল্লি বিএনপির সাংবাদিক হইয়েন না, সাংবাদিক হোন একটু : অর্থমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে ব্যবহার করা যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে আগুন কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড মুক্তিযুদ্ধকে কৌশলে ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী মশক নিধনে বর্তমান ওষুধ কার্যকরী হলেও বিকল্প ভাবছি: আবদুস সালাম ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল, মুখ খুললেন হামলাকারী ‘গুপ্তদের কারণেই ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, এটি আমাদের অহংকার’ প্রশ্নফাঁস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার: মাহদী আমিন

ইউএনওর ওপর হামলায় প্রধান আসামি আসাদুল ও জাহাঙ্গীর গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি আসাদুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে হাকিমপুর উপজেলার কালীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পর আসাদুলকে রংপুরে নিয়ে গেছে র‍্যাব। আসাদুল ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর (সাগরপুর) গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- মূল হামলাকারী আসাদুল ওরফে আরশাদুল ও জাহাঙ্গীর।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফেরদৌস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট থানা এবং র‌্যাবের একটি দল যৌথভাবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ এলাকা থেকে আসাদুলকে আটক করা হয়।

এরআগে, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনের দোতালায় বাথরুম ভেঙ্গে দু’জন দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে তাকে হাতুড়ি দিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এসময় ওয়াহিদার সন্তান ও পিতাও আহত হন। মাথার বা পাশে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুপুরে ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়ায় তার অস্ত্রোপচার করা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন মেডিকেল বোর্ড। পরে অবস্থার উন্নতি হলে রাত নয়টার দিকে ইউএনওকে অস্ত্রোপচারের জন্য নেয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে তার অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচার শেষে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

চিকিৎসকরা জানান, ওয়াহিদার মাথায় ঢুকে যাওয়া হাড় তুলে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। একইসাথে ভেঙে যাওয়া হাড় জোড়া লাগানোর পাশাপাশি ব্রেনের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তার শরীরের অবশ ডান অংশ সচল হতে শুরু করবে বলে আশা চিকিৎসকদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ইউএনওর ওপর হামলায় প্রধান আসামি আসাদুল ও জাহাঙ্গীর গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি আসাদুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে হাকিমপুর উপজেলার কালীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পর আসাদুলকে রংপুরে নিয়ে গেছে র‍্যাব। আসাদুল ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর (সাগরপুর) গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- মূল হামলাকারী আসাদুল ওরফে আরশাদুল ও জাহাঙ্গীর।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফেরদৌস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাকিমপুর, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট থানা এবং র‌্যাবের একটি দল যৌথভাবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ এলাকা থেকে আসাদুলকে আটক করা হয়।

এরআগে, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনের দোতালায় বাথরুম ভেঙ্গে দু’জন দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে তাকে হাতুড়ি দিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এসময় ওয়াহিদার সন্তান ও পিতাও আহত হন। মাথার বা পাশে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুপুরে ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়ায় তার অস্ত্রোপচার করা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন মেডিকেল বোর্ড। পরে অবস্থার উন্নতি হলে রাত নয়টার দিকে ইউএনওকে অস্ত্রোপচারের জন্য নেয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে তার অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচার শেষে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

চিকিৎসকরা জানান, ওয়াহিদার মাথায় ঢুকে যাওয়া হাড় তুলে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। একইসাথে ভেঙে যাওয়া হাড় জোড়া লাগানোর পাশাপাশি ব্রেনের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তার শরীরের অবশ ডান অংশ সচল হতে শুরু করবে বলে আশা চিকিৎসকদের।