ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

‘টাইগার’দের সাহায্যে লায়নের বিশ্বরেকর্ড

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশের স্কোরকার্ডটা দেখতে আজ কিন্তু মন্দ লাগছে না। প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রেই আরাম করে লিখে দেওয়া যাচ্ছে এলবিডব্লু। এর চেয়েও মজার ব্যাপার, সব ক্ষেত্রেই বোলারের নামটাও মিলে যাচ্ছে—নাথান লায়ন। বাংলাদেশের টপ অর্ডারকে ধসিয়ে দিয়ে একটি অনন্য রেকর্ডেরও মালিকও হয়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান অফস্পিনার।

টেস্ট ক্রিকেটের ১৪০ বছরের ইতিহাসে এমন কিছু আগে ঘটেনি। কোনো দলের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকেই কোনো বোলার এলবিডব্লু করতে পারেননি। এক টেস্টে ১৯ উইকেট পাওয়া জিম লেকার, ইনিংসে ১০ উইকেট পাওয়া অনিল কুম্বলে কিংবা ইনিংসে দুবার ৯ উইকেট পাওয়া মুত্তিয়া মুরালিধরনও যা করতে পারেননি, সেটিই করে দেখালেন লায়ন। এর পেছনে অস্ট্রেলীয় অফস্পিনারের যতটা কৃতিত্ব, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দায়ও ততটাই।

আজ বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটসম্যানের আউটের রিপ্লে দেখে ভিন্ন মনে হতে পারে। কিন্তু নিশ্চিত থাকুন, প্রত্যেকেই আউট হয়েছেন একই সমীকরণে। অত্যন্ত ধীরগতির উইকেটে পেছনের পায়ে খেলার চেষ্টাটাই ডুবিয়েছে তাঁদের। এমন উইকেট দেখে লায়নও বলের গতি পাল্টে নিয়েছেন। যখনই সুযোগ পেয়েছেন, গতি বাড়িয়ে বলকে স্কিড করিয়েছেন। ইমরুল কায়েস সুইপ করতে গিয়ে হয়েছেন এলবিডব্লু। আর তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার ও মুমিনুল হক—সবাই লাইন মিস করে আউট হয়েছেন। তাতেই অমন এক রেকর্ড হয়ে গেল লায়নের।

টেস্টে কোনো ইনিংসে প্রথম চারজনকে এভাবে এলবিডব্লু হতে আর একবারই হতে দেখা গেছে। এর সঙ্গেও জড়িয়ে আছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। ২০০৪ সালে ক্যান্ডি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চারজনই এলবিডব্লু হয়েছিলেন। তবে সেবার জাস্টিন ল্যাঙ্গার, ম্যাথু হেইডেন, রিকি পন্টিং ও ড্যামিয়েন মার্টিনের উইকেটগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন নুয়ান জয়সা, চামিন্দা ভাস ও মুরালিধরন।

লায়ন অবশ্য ৪ উইকেটেই ‘সন্তুষ্ট’ থাকেননি। শেষ বিকেলে বল করতে এসে তুলে নিয়েছেন ৬৬ রানে ব্যাট করা সাব্বির রহমানকে। নিজের করে নিয়েছেন আরও একটি ৫ উইকেট-কীর্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া প্রিয় শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের উপহার

‘টাইগার’দের সাহায্যে লায়নের বিশ্বরেকর্ড

আপডেট সময় ০৬:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশের স্কোরকার্ডটা দেখতে আজ কিন্তু মন্দ লাগছে না। প্রথম চার ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রেই আরাম করে লিখে দেওয়া যাচ্ছে এলবিডব্লু। এর চেয়েও মজার ব্যাপার, সব ক্ষেত্রেই বোলারের নামটাও মিলে যাচ্ছে—নাথান লায়ন। বাংলাদেশের টপ অর্ডারকে ধসিয়ে দিয়ে একটি অনন্য রেকর্ডেরও মালিকও হয়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান অফস্পিনার।

টেস্ট ক্রিকেটের ১৪০ বছরের ইতিহাসে এমন কিছু আগে ঘটেনি। কোনো দলের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকেই কোনো বোলার এলবিডব্লু করতে পারেননি। এক টেস্টে ১৯ উইকেট পাওয়া জিম লেকার, ইনিংসে ১০ উইকেট পাওয়া অনিল কুম্বলে কিংবা ইনিংসে দুবার ৯ উইকেট পাওয়া মুত্তিয়া মুরালিধরনও যা করতে পারেননি, সেটিই করে দেখালেন লায়ন। এর পেছনে অস্ট্রেলীয় অফস্পিনারের যতটা কৃতিত্ব, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দায়ও ততটাই।

আজ বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটসম্যানের আউটের রিপ্লে দেখে ভিন্ন মনে হতে পারে। কিন্তু নিশ্চিত থাকুন, প্রত্যেকেই আউট হয়েছেন একই সমীকরণে। অত্যন্ত ধীরগতির উইকেটে পেছনের পায়ে খেলার চেষ্টাটাই ডুবিয়েছে তাঁদের। এমন উইকেট দেখে লায়নও বলের গতি পাল্টে নিয়েছেন। যখনই সুযোগ পেয়েছেন, গতি বাড়িয়ে বলকে স্কিড করিয়েছেন। ইমরুল কায়েস সুইপ করতে গিয়ে হয়েছেন এলবিডব্লু। আর তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার ও মুমিনুল হক—সবাই লাইন মিস করে আউট হয়েছেন। তাতেই অমন এক রেকর্ড হয়ে গেল লায়নের।

টেস্টে কোনো ইনিংসে প্রথম চারজনকে এভাবে এলবিডব্লু হতে আর একবারই হতে দেখা গেছে। এর সঙ্গেও জড়িয়ে আছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। ২০০৪ সালে ক্যান্ডি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চারজনই এলবিডব্লু হয়েছিলেন। তবে সেবার জাস্টিন ল্যাঙ্গার, ম্যাথু হেইডেন, রিকি পন্টিং ও ড্যামিয়েন মার্টিনের উইকেটগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন নুয়ান জয়সা, চামিন্দা ভাস ও মুরালিধরন।

লায়ন অবশ্য ৪ উইকেটেই ‘সন্তুষ্ট’ থাকেননি। শেষ বিকেলে বল করতে এসে তুলে নিয়েছেন ৬৬ রানে ব্যাট করা সাব্বির রহমানকে। নিজের করে নিয়েছেন আরও একটি ৫ উইকেট-কীর্তি।