ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য তার পরিবারের করা আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। বুধবার আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে।

গত ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন করে তার পরিবার। বুধবার দুপুরে এ আবেদনের চিঠিটি পেয়েছেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, আজ (বুধবার) দুপুরে আমার কাছে চিঠিটি এসেছে। আমরা এ বিষয়ে বসে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেব।

এর আগে গত সোমবার আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির যে আবেদন করা হয়েছে সেখানে কী লেখা হয়েছে- তা দেখে এবং তার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, তিনি একটি দরখাস্ত পেয়েছেন। যেহেতু আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ছয় মাস (খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ) শেষ হয়ে যাবে, তারা সেটির এক্সটেনশন চেয়েছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া জামিনে নেই, কোনো আদালত তাকে জামিন দেননি। গত মার্চ মাসে তার পরিবার থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছিল যেন চিকিৎসার জন্য তাকে নির্বাহী আদেশে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনা করে আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) ধারায় তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়ার জন্য এবং গত ২৫ মার্চ সেই আদেশে তিনি (খালেদা জিয়া) মুক্তি পেয়েছেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাময়িক মুক্তি দেয়ার সময় আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছয় মাসের ওই মুক্তির মেয়াদ আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছে। তার আগেই পরিবারের পক্ষ থেকে সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে।

খালেদা জিয়া বর্তমানে গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ রয়েছেন। তিনি আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার সাজায় কারাজীবন শুরু হয় খালেদা জিয়ার। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তার সাজা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও ৩৪টি মামলা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে

আপডেট সময় ০৭:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য তার পরিবারের করা আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। বুধবার আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে।

গত ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন করে তার পরিবার। বুধবার দুপুরে এ আবেদনের চিঠিটি পেয়েছেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, আজ (বুধবার) দুপুরে আমার কাছে চিঠিটি এসেছে। আমরা এ বিষয়ে বসে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেব।

এর আগে গত সোমবার আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির যে আবেদন করা হয়েছে সেখানে কী লেখা হয়েছে- তা দেখে এবং তার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, তিনি একটি দরখাস্ত পেয়েছেন। যেহেতু আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ছয় মাস (খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ) শেষ হয়ে যাবে, তারা সেটির এক্সটেনশন চেয়েছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া জামিনে নেই, কোনো আদালত তাকে জামিন দেননি। গত মার্চ মাসে তার পরিবার থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছিল যেন চিকিৎসার জন্য তাকে নির্বাহী আদেশে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনা করে আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) ধারায় তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়ার জন্য এবং গত ২৫ মার্চ সেই আদেশে তিনি (খালেদা জিয়া) মুক্তি পেয়েছেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাময়িক মুক্তি দেয়ার সময় আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছয় মাসের ওই মুক্তির মেয়াদ আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছে। তার আগেই পরিবারের পক্ষ থেকে সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে।

খালেদা জিয়া বর্তমানে গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ রয়েছেন। তিনি আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার সাজায় কারাজীবন শুরু হয় খালেদা জিয়ার। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তার সাজা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও ৩৪টি মামলা রয়েছে।