ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা আরপিও থেকে বাদ দিচ্ছে না ইসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রার্থিতা বাতিলের যে ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দেওয়া হয়েছে, সেটা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২ থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আরপিও থেকে কোনো মৌলিক বিষয়ই বাদ যাচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন ভবনে বৈঠক শেষে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসি সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আরপিওকে বাংলা আইনে রূপান্তর করার খসড়ায় প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বাদ দেওয়াসহ অর্থাৎ আরপিওর ৯১(ই) ধারাসহ ১০টি মৌলিক বিষয় তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। যেই বিষয়গুলো আইনের বিধিমালায় যুক্ত করতে চেয়েছিল ইসি।

নির্বাচন কমিশন কেন নিজের ক্ষমতা নিজেই বাদ দিতে চাইছে, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, নিজের ক্ষমতা নিজে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কমিশনের কোনো ক্ষমতাই খর্ব করা নয়, বরং যা আছে মৌলিক, তার সবই ঠিক থাকবে। আইনের (আরপিও) মৌলিক কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না, শুধু বাংলায় করা হচ্ছে। এটিকে আইনেও রূপান্তর করা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আরপিওটি অনেক বড় আইন। এটাকে ছোট করার প্রস্তাব এসেছে। এজন্য বলা হয় যে, যেটি আইনে দরকার নেই, সেটি বিধিমালায় যাবে। অনেক কথা লেখা ছিল তা আইনের সঙ্গে যায় না। স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে যখন আইনটি করা হয়েছিল, সেই সময় বিধিমালা করা অনেক সময় সাপেক্ষ বিষয় ছিল। আরেকটা বিষয় আপানারা জানেন যে, আইন সহজে পরিবর্তন করা যায় না। এজন্য সরকার বা নীতি নির্ধারকদের ক্ষেত্রে যে নির্দেশনা রয়েছে, তা হলো-আইন যখন করবেন, তার প্রসিডিউরগুলো বিধিতে রাখবেন।

মো. আলমগীর বলেন, প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বিধিতে রাখতে গিয়ে হয়তো কমিশন আইন থেকে ভুল করে হোক বা বোঝাপড়ার মাধ্যমে হোক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এটা আইনে থাকবে না, বিধিতে যাবে। আর আইন মন্ত্রণালয় বলেছে যে, এটা কোর্টের বিষয়। আর কোর্টের বিষয় বিধিতে রাখা যায় না। তারা নয় দশটা বিষয় আইনেই রাখতে বলেছে।

তিনি বলেন, কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আইনে না থাকলেও বিধিতে রাখা হতো। যেহেতু আইন মন্ত্রণালয় আইনেই রাখতে বলেছে এটাকে শক্তিশালী রাখার জন্য, তাই আইনেই রাখা হচ্ছে।

আরপিওর ৯১(ই) ধারায় বলা হয়েছে- নির্বাচনে অবৈধ বা আইন পরিপন্থী কোনো কাজ প্রার্থী বা তার এজেন্ট বা তার পক্ষে অন্য যে কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলে কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয় বা অভিযোগ আসে, তবে কমিশন তা তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তবে সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা আরপিও থেকে বাদ দিচ্ছে না ইসি

আপডেট সময় ১১:১৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রার্থিতা বাতিলের যে ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দেওয়া হয়েছে, সেটা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২ থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আরপিও থেকে কোনো মৌলিক বিষয়ই বাদ যাচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন ভবনে বৈঠক শেষে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসি সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আরপিওকে বাংলা আইনে রূপান্তর করার খসড়ায় প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বাদ দেওয়াসহ অর্থাৎ আরপিওর ৯১(ই) ধারাসহ ১০টি মৌলিক বিষয় তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। যেই বিষয়গুলো আইনের বিধিমালায় যুক্ত করতে চেয়েছিল ইসি।

নির্বাচন কমিশন কেন নিজের ক্ষমতা নিজেই বাদ দিতে চাইছে, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, নিজের ক্ষমতা নিজে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কমিশনের কোনো ক্ষমতাই খর্ব করা নয়, বরং যা আছে মৌলিক, তার সবই ঠিক থাকবে। আইনের (আরপিও) মৌলিক কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না, শুধু বাংলায় করা হচ্ছে। এটিকে আইনেও রূপান্তর করা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আরপিওটি অনেক বড় আইন। এটাকে ছোট করার প্রস্তাব এসেছে। এজন্য বলা হয় যে, যেটি আইনে দরকার নেই, সেটি বিধিমালায় যাবে। অনেক কথা লেখা ছিল তা আইনের সঙ্গে যায় না। স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে যখন আইনটি করা হয়েছিল, সেই সময় বিধিমালা করা অনেক সময় সাপেক্ষ বিষয় ছিল। আরেকটা বিষয় আপানারা জানেন যে, আইন সহজে পরিবর্তন করা যায় না। এজন্য সরকার বা নীতি নির্ধারকদের ক্ষেত্রে যে নির্দেশনা রয়েছে, তা হলো-আইন যখন করবেন, তার প্রসিডিউরগুলো বিধিতে রাখবেন।

মো. আলমগীর বলেন, প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বিধিতে রাখতে গিয়ে হয়তো কমিশন আইন থেকে ভুল করে হোক বা বোঝাপড়ার মাধ্যমে হোক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এটা আইনে থাকবে না, বিধিতে যাবে। আর আইন মন্ত্রণালয় বলেছে যে, এটা কোর্টের বিষয়। আর কোর্টের বিষয় বিধিতে রাখা যায় না। তারা নয় দশটা বিষয় আইনেই রাখতে বলেছে।

তিনি বলেন, কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, আইনে না থাকলেও বিধিতে রাখা হতো। যেহেতু আইন মন্ত্রণালয় আইনেই রাখতে বলেছে এটাকে শক্তিশালী রাখার জন্য, তাই আইনেই রাখা হচ্ছে।

আরপিওর ৯১(ই) ধারায় বলা হয়েছে- নির্বাচনে অবৈধ বা আইন পরিপন্থী কোনো কাজ প্রার্থী বা তার এজেন্ট বা তার পক্ষে অন্য যে কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলে কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয় বা অভিযোগ আসে, তবে কমিশন তা তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তবে সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।