ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

ধোনির সেঞ্চুরিতে নতুন ইতিহাস লিখল ক্রিকেট

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এক সপ্তাহ ধরেই এই মুহূর্তের অপেক্ষায় সবাই। মাঝখানে আরেকটি ওয়ানডে খেলে ফেলল ভারত-শ্রীলঙ্কা। অনুমিতভাবেই আরেকটি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ভারত, কিন্তু ধোনির মুহূর্তটি এল না। ম্যাচের ৪৫তম ওভারে এল সেই মুহূর্ত। যুজবেন্দ্র চাহালের বলটা বুঝতে পারলেন না আকিলা ধনাঞ্জয়া। বল চলে গেল মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছে। স্টাম্প ভাঙতে দেরি করেননি ধোনি, নিজের শততম স্টাম্পিংটা সেরে নিলেন বেশ আয়েশে। ধোনির ইতিহাসের দিনে সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৩৮ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যাচের সেঞ্চুরি কম দেখেনি। এ নিয়ে ২৬ জন উইকেটরক্ষক ক্যাচের সেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু ডিসমিসালের নাম যখন স্টাম্পিং, তখন সংখ্যাটা শূন্যে নেমে আসত। ক্যাচের কোয়াড্রপল সেঞ্চুরি (৪০০) করা দুই উইকেটরক্ষক অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও মার্ক বাউচারও পারেননি এ কাজ করতে। পেস আক্রমণ দিয়ে সাজানো দুই দলে খেলা এ দুজনের সে সুযোগও ছিল না। তবে উপমহাদেশের অন্য কিপারদের সে সুযোগ ছিল ভালোমতোই। তবু স্টাম্পিংয়ের সেঞ্চুরির দেখা মেলেনি এত দিনেও।
এত দিন ৯৯ স্টাম্পিং নিয়ে শীর্ষস্থানে বসেছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা। ৩৬০ ম্যাচে উইকেটকিপিং করে ৯৯ জন ব্যাটসম্যানকে স্টাম্পিং করেছিলেন শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি। সাঙ্গাকারাকে ধোনি ছুঁয়েছিলেন ২৯৯ ম্যাচেই। ৩০১তম ম্যাচে এসে পেছনে ফেললেন সাঙ্গাকে, ইতিহাসও দেখল স্টাম্পিংয়ের প্রথম সেঞ্চুরি। স্টাম্পিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া একজনের হাতেই হলো ক্রিকেটের নতুন এ রেকর্ড।

সাঙ্গাকারার কারণেই ক্যারিয়ার থেমে না গেলে এ রেকর্ড অবশ্য রমেশ কালুভিতারানারও হতে পারত। মাত্র ১৮৬ ম্যাচেই ৭৫টি স্টাম্পিংয়ের অবিশ্বাস্য এক রেকর্ড ১৯৯৬ বিশ্বকাপের এই নায়কের।
টেস্টে অবশ্য সেঞ্চুরি দূরে থাক, স্টাম্পিংয়ের ফিফটিই আছে মাত্র একজনের। ১৯৩৭ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলা অস্ট্রেলিয়ান কিপার বের্ট ওল্ডফিল্ড ৫৪ ম্যাচে ৫২ জন ব্যাটসম্যানকে ফাঁদে ফেলেছেন।

সবচেয়ে স্টাম্পিং করা উইকেটরক্ষক

উইকেটরক্ষক স্টাম্পিং ক্যাচ ম্যাচ (উইকেটরক্ষক হিসেবে)
এম এস ধোনি ১০০ ২৮৩ ৩০১
কুমার সাঙ্গাকারা ৯৯ ৩৮৩ ৩৬০
রমেশ কালুভিতারানা ৭৫ ১৩১ ১৮৬
মঈন খান ৭৩ ২১৪ ২১১
অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ৫৫ ৪১৭ ২৮২
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ধোনির সেঞ্চুরিতে নতুন ইতিহাস লিখল ক্রিকেট

আপডেট সময় ১২:৫৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

এক সপ্তাহ ধরেই এই মুহূর্তের অপেক্ষায় সবাই। মাঝখানে আরেকটি ওয়ানডে খেলে ফেলল ভারত-শ্রীলঙ্কা। অনুমিতভাবেই আরেকটি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ভারত, কিন্তু ধোনির মুহূর্তটি এল না। ম্যাচের ৪৫তম ওভারে এল সেই মুহূর্ত। যুজবেন্দ্র চাহালের বলটা বুঝতে পারলেন না আকিলা ধনাঞ্জয়া। বল চলে গেল মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছে। স্টাম্প ভাঙতে দেরি করেননি ধোনি, নিজের শততম স্টাম্পিংটা সেরে নিলেন বেশ আয়েশে। ধোনির ইতিহাসের দিনে সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৩৮ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা।

ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যাচের সেঞ্চুরি কম দেখেনি। এ নিয়ে ২৬ জন উইকেটরক্ষক ক্যাচের সেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু ডিসমিসালের নাম যখন স্টাম্পিং, তখন সংখ্যাটা শূন্যে নেমে আসত। ক্যাচের কোয়াড্রপল সেঞ্চুরি (৪০০) করা দুই উইকেটরক্ষক অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও মার্ক বাউচারও পারেননি এ কাজ করতে। পেস আক্রমণ দিয়ে সাজানো দুই দলে খেলা এ দুজনের সে সুযোগও ছিল না। তবে উপমহাদেশের অন্য কিপারদের সে সুযোগ ছিল ভালোমতোই। তবু স্টাম্পিংয়ের সেঞ্চুরির দেখা মেলেনি এত দিনেও।
এত দিন ৯৯ স্টাম্পিং নিয়ে শীর্ষস্থানে বসেছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা। ৩৬০ ম্যাচে উইকেটকিপিং করে ৯৯ জন ব্যাটসম্যানকে স্টাম্পিং করেছিলেন শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি। সাঙ্গাকারাকে ধোনি ছুঁয়েছিলেন ২৯৯ ম্যাচেই। ৩০১তম ম্যাচে এসে পেছনে ফেললেন সাঙ্গাকে, ইতিহাসও দেখল স্টাম্পিংয়ের প্রথম সেঞ্চুরি। স্টাম্পিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া একজনের হাতেই হলো ক্রিকেটের নতুন এ রেকর্ড।

সাঙ্গাকারার কারণেই ক্যারিয়ার থেমে না গেলে এ রেকর্ড অবশ্য রমেশ কালুভিতারানারও হতে পারত। মাত্র ১৮৬ ম্যাচেই ৭৫টি স্টাম্পিংয়ের অবিশ্বাস্য এক রেকর্ড ১৯৯৬ বিশ্বকাপের এই নায়কের।
টেস্টে অবশ্য সেঞ্চুরি দূরে থাক, স্টাম্পিংয়ের ফিফটিই আছে মাত্র একজনের। ১৯৩৭ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলা অস্ট্রেলিয়ান কিপার বের্ট ওল্ডফিল্ড ৫৪ ম্যাচে ৫২ জন ব্যাটসম্যানকে ফাঁদে ফেলেছেন।

সবচেয়ে স্টাম্পিং করা উইকেটরক্ষক

উইকেটরক্ষক স্টাম্পিং ক্যাচ ম্যাচ (উইকেটরক্ষক হিসেবে)
এম এস ধোনি ১০০ ২৮৩ ৩০১
কুমার সাঙ্গাকারা ৯৯ ৩৮৩ ৩৬০
রমেশ কালুভিতারানা ৭৫ ১৩১ ১৮৬
মঈন খান ৭৩ ২১৪ ২১১
অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ৫৫ ৪১৭ ২৮২