ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে বিএনপি অফিসে আগুন সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল আলবেনিয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরাল বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা খুব কঠিন হবে: সারজিস সংসদ বসতে পারে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি ধাপে-ধাপে বাস্তবায়ন হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় এক রাতে নিহত ৫০ নড়াইলে আ.লীগের অফিস খুলে উল্লাস, স্লোগান-পতাকা উত্তোলন আ.লীগের অফিস খুলে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, দখলে নিল বিএনপি-ছাত্রদল একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জিএম কাদেরের

বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে সংযোগ সড়ক প্রকল্প অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানিসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বারৈয়ারহাট-হোঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ৩ হাজার ৪৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৬১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে ৮৪২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে ৬টি নতুন প্রকল্প ও একটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বারৈয়ারহাট-হোঁয়াকো রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৪ সাল মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে। ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঋণের অংশ হিসেবে ৫৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে সংযোগ সড়ক তৈরি হবে এবং দু’দেশের সড়ক উন্নয়ন করা হবে। এতে উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বিশেষ করে ত্রিপুরা এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে। উভয় দেশ এর থেকে সমানভাবে লাভবান হবে।

এম এ মান্নান জানান, প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের আওতায় কোনো ধরনের ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস নির্মাণ না করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউসের জন্য সমন্বিতভাবে আলাদা প্রকল্প নেয়া যেতে পারে।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, রামগড় সীমান্তে একটি সীমান্ত হাট বসানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে সংযোগ সড়ক প্রকল্প অনুমোদন

আপডেট সময় ১০:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানিসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বারৈয়ারহাট-হোঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ৩ হাজার ৪৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৬১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে ৮৪২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে ৬টি নতুন প্রকল্প ও একটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বারৈয়ারহাট-হোঁয়াকো রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৪ সাল মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে। ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঋণের অংশ হিসেবে ৫৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে সংযোগ সড়ক তৈরি হবে এবং দু’দেশের সড়ক উন্নয়ন করা হবে। এতে উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বিশেষ করে ত্রিপুরা এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে। উভয় দেশ এর থেকে সমানভাবে লাভবান হবে।

এম এ মান্নান জানান, প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের আওতায় কোনো ধরনের ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউস নির্মাণ না করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে ডাকবাংলো বা রেস্ট হাউসের জন্য সমন্বিতভাবে আলাদা প্রকল্প নেয়া যেতে পারে।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, রামগড় সীমান্তে একটি সীমান্ত হাট বসানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে।