ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

র‌্যাব পরিচয়ে খুন-ডাকাতি, চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

র‌্যাব পরিচয়ে খুন-ডাকাতির অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

তেজগাঁও থানার একটি হত্যা মামলার তদন্ত গিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল- ফরহাদ হোসেন, জালাল উদ্দিন সুমন, কাজী মো. আকবর আলী, সাহারুল ইসলাম সাগর ও আমিনুল ইসলাম সবুজ ও মনির।

তাদের কাছ থেকে র‌্যাব লেখা দুটি জ্যাকেট, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ওয়্যারলেস সেট, একটি পিস্তল, পাঁচটি গুলি ও একটি খেলনা পিস্তল পাওয়া গেছে বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মশিউর রহমান জানান।

তিনি বলেন, নিখোঁজ তেজগাঁওয়ের বাসিন্দা একটি বায়িং হাউজের কর্মকর্তা সুলতান হোসেনের লাশ গত ১৬ জুলাই মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরেরে একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়। ১৮ জুলাই তার ছোট ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনায় আসামি ফরহাদ হোসেনকে শরীয়তপুরের সখিপুরের সরকার গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিসি মশিউর বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শনিবার প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সসহ জালাল উদ্দিন সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

তার দেয়া তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এই চক্রের হোতা আকবর আলী, সাহারুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামকে পল্টন থানাধীন পুরানা পল্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি জানায়, এরা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূয়া পরিচয় দানকারী একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। এরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার হুন্ডি ব্যবসায়ী, মানি একচেঞ্জার ও মতিঝিল এলার ব্যাংক হতে মোটা অংকের টাকা লেনদেনকারীদের টার্গেট করে।

পরে তাদের অনুসরণ করে সুবিধাজনক স্থানে গিয়ে র‌্যাব পরিচয় দিয়ে গাড়িতে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা নগদ অর্থসহ যাবতীয় মালামাল ছিনিয়ে নেয়। চিৎকার শুরু করলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাদেরকে মেরে ফেলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

র‌্যাব পরিচয়ে খুন-ডাকাতি, চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:২৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

র‌্যাব পরিচয়ে খুন-ডাকাতির অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

তেজগাঁও থানার একটি হত্যা মামলার তদন্ত গিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল- ফরহাদ হোসেন, জালাল উদ্দিন সুমন, কাজী মো. আকবর আলী, সাহারুল ইসলাম সাগর ও আমিনুল ইসলাম সবুজ ও মনির।

তাদের কাছ থেকে র‌্যাব লেখা দুটি জ্যাকেট, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ওয়্যারলেস সেট, একটি পিস্তল, পাঁচটি গুলি ও একটি খেলনা পিস্তল পাওয়া গেছে বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মশিউর রহমান জানান।

তিনি বলেন, নিখোঁজ তেজগাঁওয়ের বাসিন্দা একটি বায়িং হাউজের কর্মকর্তা সুলতান হোসেনের লাশ গত ১৬ জুলাই মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরেরে একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয়। ১৮ জুলাই তার ছোট ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনায় আসামি ফরহাদ হোসেনকে শরীয়তপুরের সখিপুরের সরকার গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিসি মশিউর বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শনিবার প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সসহ জালাল উদ্দিন সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

তার দেয়া তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এই চক্রের হোতা আকবর আলী, সাহারুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামকে পল্টন থানাধীন পুরানা পল্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি জানায়, এরা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূয়া পরিচয় দানকারী একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। এরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার হুন্ডি ব্যবসায়ী, মানি একচেঞ্জার ও মতিঝিল এলার ব্যাংক হতে মোটা অংকের টাকা লেনদেনকারীদের টার্গেট করে।

পরে তাদের অনুসরণ করে সুবিধাজনক স্থানে গিয়ে র‌্যাব পরিচয় দিয়ে গাড়িতে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা নগদ অর্থসহ যাবতীয় মালামাল ছিনিয়ে নেয়। চিৎকার শুরু করলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাদেরকে মেরে ফেলা হয়।