ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর দেরি করে যাওয়ায় নিজ এলাকার বন্যার্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী কানাডার ওপর ক্ষেপেছেন ট্রাম্প, নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ, দুই দিন পর মরদেহ মিলল পাটখেতে টানা সপ্তম রাতেও ইরানে মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ১২ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয় নয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য নিয়ে দুজনকে কু‌পিয়ে হত্যা জুলাই শহীদদের স্মরণে এবি পার্টির প্রতীকী কফিন মিছিল

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করতেন সাহেদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড’ নামে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক ও পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহ করছিলেন বহু অপকর্মের হোতা মো. সাহেদ করিম।

আদতে এই নামে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মহামারি করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করছিলেন তিনি।শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, সাহেদের নানাবিধ প্রতারণার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। করোনা সংকটের প্রথম দিকে যখন মাস্ক ও পিপিই সংকট ছিল, তখন সাহেদ ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করেন।

সাহেদ অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সরকারিভাবে অনুমতি নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক-পিপিই সরবরাহ করতেন। আসলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে শুধু একটি ফেসবুক পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করেন।

এছাড়াও তার ঠিকাদারি ব্যবসা ও প্রতারণার বিষয়ে আমরা আরও তথ্য পেয়েছি। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরাসহ কয়েকটি থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে পিপিই সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, কেন দিয়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।

আরেক প্রতারক ডা. সাবরিনার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না, জানতে চাইলে আব্দুল বাতেন বলেন, তদন্তের সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্ট মনে হবে, তাদেরই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব।

তিনি বলেন, ডা. সাবরিনা ডাক্তার হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করে প্রতারণা করেছেন। তিনি সরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাই তদন্তে তার যেসব অনিয়মের তথ্য আমরা পাব, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানাব। তারা অনিয়মের ভিত্তিতে বিবেচনা করবে, সেগুলো ডিপার্টমেন্টাল অফেন্স না-কি ক্রিমিনাল অফেন্স। ক্রিমিনাল অফেন্স হলে তারা যদি আমাদের কাছে আইনি সহায়তা চায়, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে অবশেষে অনুশীলনে নেইমার

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করতেন সাহেদ

আপডেট সময় ০৪:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড’ নামে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক ও পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহ করছিলেন বহু অপকর্মের হোতা মো. সাহেদ করিম।

আদতে এই নামে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মহামারি করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করছিলেন তিনি।শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, সাহেদের নানাবিধ প্রতারণার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। করোনা সংকটের প্রথম দিকে যখন মাস্ক ও পিপিই সংকট ছিল, তখন সাহেদ ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করেন।

সাহেদ অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সরকারিভাবে অনুমতি নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক-পিপিই সরবরাহ করতেন। আসলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে শুধু একটি ফেসবুক পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করেন।

এছাড়াও তার ঠিকাদারি ব্যবসা ও প্রতারণার বিষয়ে আমরা আরও তথ্য পেয়েছি। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরাসহ কয়েকটি থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে পিপিই সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, কেন দিয়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।

আরেক প্রতারক ডা. সাবরিনার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না, জানতে চাইলে আব্দুল বাতেন বলেন, তদন্তের সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্ট মনে হবে, তাদেরই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব।

তিনি বলেন, ডা. সাবরিনা ডাক্তার হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করে প্রতারণা করেছেন। তিনি সরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাই তদন্তে তার যেসব অনিয়মের তথ্য আমরা পাব, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানাব। তারা অনিয়মের ভিত্তিতে বিবেচনা করবে, সেগুলো ডিপার্টমেন্টাল অফেন্স না-কি ক্রিমিনাল অফেন্স। ক্রিমিনাল অফেন্স হলে তারা যদি আমাদের কাছে আইনি সহায়তা চায়, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।