ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করতেন সাহেদ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড’ নামে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক ও পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহ করছিলেন বহু অপকর্মের হোতা মো. সাহেদ করিম।

আদতে এই নামে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মহামারি করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করছিলেন তিনি।শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, সাহেদের নানাবিধ প্রতারণার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। করোনা সংকটের প্রথম দিকে যখন মাস্ক ও পিপিই সংকট ছিল, তখন সাহেদ ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করেন।

সাহেদ অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সরকারিভাবে অনুমতি নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক-পিপিই সরবরাহ করতেন। আসলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে শুধু একটি ফেসবুক পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করেন।

এছাড়াও তার ঠিকাদারি ব্যবসা ও প্রতারণার বিষয়ে আমরা আরও তথ্য পেয়েছি। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরাসহ কয়েকটি থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে পিপিই সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, কেন দিয়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।

আরেক প্রতারক ডা. সাবরিনার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না, জানতে চাইলে আব্দুল বাতেন বলেন, তদন্তের সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্ট মনে হবে, তাদেরই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব।

তিনি বলেন, ডা. সাবরিনা ডাক্তার হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করে প্রতারণা করেছেন। তিনি সরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাই তদন্তে তার যেসব অনিয়মের তথ্য আমরা পাব, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানাব। তারা অনিয়মের ভিত্তিতে বিবেচনা করবে, সেগুলো ডিপার্টমেন্টাল অফেন্স না-কি ক্রিমিনাল অফেন্স। ক্রিমিনাল অফেন্স হলে তারা যদি আমাদের কাছে আইনি সহায়তা চায়, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করতেন সাহেদ

আপডেট সময় ০৪:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড’ নামে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক ও পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহ করছিলেন বহু অপকর্মের হোতা মো. সাহেদ করিম।

আদতে এই নামে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই। মহামারি করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করছিলেন তিনি।শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, সাহেদের নানাবিধ প্রতারণার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। করোনা সংকটের প্রথম দিকে যখন মাস্ক ও পিপিই সংকট ছিল, তখন সাহেদ ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে নিম্নমানের মাস্ক ও পিপিই সরবরাহ করেন।

সাহেদ অ্যালফার্ড গ্লোবাল ফ্যাক্টরি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সরকারিভাবে অনুমতি নিয়ে বিভিন্নস্থানে মাস্ক-পিপিই সরবরাহ করতেন। আসলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে শুধু একটি ফেসবুক পেজ খুলেই সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে পিপিই সরবরাহ করেন।

এছাড়াও তার ঠিকাদারি ব্যবসা ও প্রতারণার বিষয়ে আমরা আরও তথ্য পেয়েছি। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরাসহ কয়েকটি থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে পিপিই সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, কেন দিয়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।

আরেক প্রতারক ডা. সাবরিনার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না, জানতে চাইলে আব্দুল বাতেন বলেন, তদন্তের সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্ট মনে হবে, তাদেরই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব।

তিনি বলেন, ডা. সাবরিনা ডাক্তার হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করে প্রতারণা করেছেন। তিনি সরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাই তদন্তে তার যেসব অনিয়মের তথ্য আমরা পাব, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে জানাব। তারা অনিয়মের ভিত্তিতে বিবেচনা করবে, সেগুলো ডিপার্টমেন্টাল অফেন্স না-কি ক্রিমিনাল অফেন্স। ক্রিমিনাল অফেন্স হলে তারা যদি আমাদের কাছে আইনি সহায়তা চায়, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।