ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে বিএনপি অফিসে আগুন সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল আলবেনিয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরাল বিএনপি সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে ৫ বছর ক্ষমতায় থাকা খুব কঠিন হবে: সারজিস সংসদ বসতে পারে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি ধাপে-ধাপে বাস্তবায়ন হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় এক রাতে নিহত ৫০ নড়াইলে আ.লীগের অফিস খুলে উল্লাস, স্লোগান-পতাকা উত্তোলন আ.লীগের অফিস খুলে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, দখলে নিল বিএনপি-ছাত্রদল একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জিএম কাদেরের

শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করার দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শ্রমিকদের নিঃশর্ত মুক্তি ও বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন। একইসঙ্গে তারা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনটি লিলি এ্যাপারেলস লিমিটেড কর্তৃক শ্রমিকদের নামে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ ও বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মো. শামীম খান। বক্তব্য রাখেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন সহিদ, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর শেখ লালন, মো. সুজন, ফরিদুল, মামুন, শাহীন, মাসুদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, লিলি এ্যাপারেলস লিমিটেড গত ঈদুল ফিতরের অর্ধেক বোনাস প্রদান করে বাকি অর্ধেক এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রদান করেনি। কারখানায় বাৎসরিক ছুটির সময় অতিরিক্ত কাজের টাকা জুন মাসের মধ্যে প্রদান করার কথা থাকলেও তা প্রদান করেনি। এমনকি অনেককে বাত্সরিক ছুটির টাকা কখনই প্রদান করেনি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই কারখানার মালিক পরিবর্তনের খবর পাওয়া যায়। অ্যাডমিনে পাওনা টাকা চাইতে গেলে সেখান থেকে কারখানার মালিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা আর পরিশোধ করা হবে না বলে জানানো হয়। আমরা তাদের জানাই যেহেতু কারখানার মালিক পরিবর্তন হয়েছে, সেহেতু আমাদের আইনানুগ সব পাওনা বুঝিয়ে না দিলে আমরা কাজ করবো না। এরপর শ্রমিকদের ওপর হামলা করে মালিক পক্ষের লেলিয়ে দেওয়া বহিরাগত সন্ত্রাসীরা।

তারা আরও বলেন, হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। পরে বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ করে দেয় এবং শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা করে। এমন অবস্থায় শ্রমিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়া এবং সকল পাওনা পরিশোধের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধন শেষে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপি দেন সংগঠনের নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করার দাবি

আপডেট সময় ০৫:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শ্রমিকদের নিঃশর্ত মুক্তি ও বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন। একইসঙ্গে তারা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনটি লিলি এ্যাপারেলস লিমিটেড কর্তৃক শ্রমিকদের নামে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ ও বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মো. শামীম খান। বক্তব্য রাখেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন সহিদ, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর শেখ লালন, মো. সুজন, ফরিদুল, মামুন, শাহীন, মাসুদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, লিলি এ্যাপারেলস লিমিটেড গত ঈদুল ফিতরের অর্ধেক বোনাস প্রদান করে বাকি অর্ধেক এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রদান করেনি। কারখানায় বাৎসরিক ছুটির সময় অতিরিক্ত কাজের টাকা জুন মাসের মধ্যে প্রদান করার কথা থাকলেও তা প্রদান করেনি। এমনকি অনেককে বাত্সরিক ছুটির টাকা কখনই প্রদান করেনি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই কারখানার মালিক পরিবর্তনের খবর পাওয়া যায়। অ্যাডমিনে পাওনা টাকা চাইতে গেলে সেখান থেকে কারখানার মালিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তা আর পরিশোধ করা হবে না বলে জানানো হয়। আমরা তাদের জানাই যেহেতু কারখানার মালিক পরিবর্তন হয়েছে, সেহেতু আমাদের আইনানুগ সব পাওনা বুঝিয়ে না দিলে আমরা কাজ করবো না। এরপর শ্রমিকদের ওপর হামলা করে মালিক পক্ষের লেলিয়ে দেওয়া বহিরাগত সন্ত্রাসীরা।

তারা আরও বলেন, হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। পরে বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ করে দেয় এবং শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা করে। এমন অবস্থায় শ্রমিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়া এবং সকল পাওনা পরিশোধের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধন শেষে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপি দেন সংগঠনের নেতারা।