ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির জনসভায় যোগ দিতে বরিশালে তারেক রহমান ফিলিস্তিনের পক্ষে স্টিকার লাগানোয় ব্রিটিশ দম্পতিকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ নরসিংদীতে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত, ৩ জন গুলিবিদ্ধ লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফকে গুলি করে হত্যা ‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আপডেট সময় ০৭:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।