ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা ‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’ প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন গতির সঞ্চার হবে : হুমায়ুন কবির প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আপডেট সময় ০৭:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।