ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পৌঁছে দিবেন তারেক রহমান: আব্দুস সালাম আমিও আ.লীগের দায়িত্ব নিয়ে নিলাম: নুর ব্যবহৃত মোবাইল কেনাবেচায় নতুন নিয়ম, সতর্ক করল বিটিআরসি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কার্পণ্য করছে না : অর্থ উপদেষ্টা

করোনা নিয়ন্ত্রণের দাবিতে নেপালে বিক্ষোভ, ৭ বিদেশি আটক

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এর মধ্যে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে নেপাল সরকারের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতার অভিযোগে বিক্ষোভকালে সাত বিদেশিসহ অন্তত ১০ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার দেশটির রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে টানা তৃতীয়দিনের মতো বিক্ষোভ থেকে তাদের আটক করা হয়।

গত মার্চে নেপালে দ্বিতীয় করোনা রোগী শনাক্তের পরপরই লকডাউন করা হয় গোটা দেশ। তবে সংক্রমণ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা যায়নি। হিমালয় সংলগ্ন দেশটিতে ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ, মারা গেছেন ১৬ জন। এ নিয়েই সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়ায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছেন তারা।

জানা গেছে, শনিবারও কাঠমাণ্ডুতে হাজার খানেক মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। সেখান থেকে সাত বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই নেপালি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভকালে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। তবে শনিবার তেমন কোনও সহিংসতা ঘটেনি।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, তারা করোনা মহামারি প্রতিরোধে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। সেখানে ইতোমধ্যই ৩ লাখ ১০ হাজার টেস্ট করা হয়েছে, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, তিন কোটি জনসংখ্যার দেশে এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।

আন্দোলনকারীরা দেশটির সরকারের কাছে পর্যাপ্ত কোয়ারেন্টাইন সুবিধা, অধিক হারে করোনা টেস্ট ও ওষুধ ক্রয়ের হিসাবে স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। রমেশ প্রধান নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলোতে পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। সেগুলো করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে। এটি অবশ্যই উন্নত করতে হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যাম্পু করার আগে চুলে তেল মালিশ করা কি ভালো

করোনা নিয়ন্ত্রণের দাবিতে নেপালে বিক্ষোভ, ৭ বিদেশি আটক

আপডেট সময় ০৬:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এর মধ্যে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে নেপাল সরকারের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতার অভিযোগে বিক্ষোভকালে সাত বিদেশিসহ অন্তত ১০ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার দেশটির রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে টানা তৃতীয়দিনের মতো বিক্ষোভ থেকে তাদের আটক করা হয়।

গত মার্চে নেপালে দ্বিতীয় করোনা রোগী শনাক্তের পরপরই লকডাউন করা হয় গোটা দেশ। তবে সংক্রমণ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা যায়নি। হিমালয় সংলগ্ন দেশটিতে ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ, মারা গেছেন ১৬ জন। এ নিয়েই সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। সরকারের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়ায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছেন তারা।

জানা গেছে, শনিবারও কাঠমাণ্ডুতে হাজার খানেক মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। সেখান থেকে সাত বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই নেপালি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভকালে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। তবে শনিবার তেমন কোনও সহিংসতা ঘটেনি।
নেপাল সরকার জানিয়েছে, তারা করোনা মহামারি প্রতিরোধে এ পর্যন্ত অন্তত ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। সেখানে ইতোমধ্যই ৩ লাখ ১০ হাজার টেস্ট করা হয়েছে, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, তিন কোটি জনসংখ্যার দেশে এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।

আন্দোলনকারীরা দেশটির সরকারের কাছে পর্যাপ্ত কোয়ারেন্টাইন সুবিধা, অধিক হারে করোনা টেস্ট ও ওষুধ ক্রয়ের হিসাবে স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। রমেশ প্রধান নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলোতে পানি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। সেগুলো করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে। এটি অবশ্যই উন্নত করতে হবে।’