ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউমার্কেটে গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন: পুলিশ চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেল ছেলে, ঝাঁপ দিয়ে বাঁচালেন বাবা অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান বিচার শেষ না হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ নেই: আন্দালিভ রহমান পার্থ অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।