ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল টিকা সংকটে হামের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ গ্যাস সঙ্কটের কারণেই দেশে লোডশেডিং বেড়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের গুরুতর আহত মোজতবা খামেনির প্লাস্টিক সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ২৯ হাজার ৩১৫ হজযাত্রী সৌদি আরবসহ তিন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি ইউক্রেনের

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।