ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

৫ হাসপাতাল ঘুরে মেলেনি চিকিৎসা, করোনার উপসর্গ নিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রাম নগরের পার্কভিউ, ম্যাক্স, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনাভাইরাস সন্দেহে ভর্তি নেয়নি নগর বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন মো. কামাল উদ্দিনকে। মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি নিলেও অক্সিজেন পাননি তিনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে মারা যান কামাল উদ্দিন।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তার করোনার উপসর্গ ছিলো। শ্বাসকষ্টে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা বসেছিলেন তিনি, এরপরও অক্সিজেন মেলেনি। পার্কভিউ, ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোথাও করোনা সন্দেহে ভর্তি নেয়নি। ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যখন আনা হয় তখন তার অক্সিজেন নেমে গিয়েছিলো ৭৮-এ। তখন তার আইসিইউ সাপোর্ট লাগতো। কিন্তু ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে তিনটি আইসিইউ শয্যার মধ্যে তিনটি রোগী ভর্তি ছিলো। মূলত আইসিইউর অভাবে তিনি মারা যান।