ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত সরকার গণতন্ত্র ও সংবিধানবিরোধী কাজ করছে: গোলাম পরওয়ার ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশবাসীকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক ভবিষ্যতে বিশ্বে শোষণ নীতির জায়গা হবে না: ইরানের প্রেসিডেন্ট জুলাই সনদ নিয়ে ছলচাতুরী করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন রিফাতের তৈরি গাড়িতে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।