ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয় ভারত থেকে আমদানি ৯.৬২ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি ১.৭৬ বিলিয়ন মারা গেছেন কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী:মাহদী আমিন সংসদ অধিবেশনের চেয়ে কোনো রাষ্ট্রীয় কাজই গুরুত্বপূর্ণ নয়: স্পিকার ফরিদপুরে মাদক কারবারি সন্দেহে গণপিটুনি ও প্রাইভেটকারে আগুন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, সংসদে জানালেন স্পিকার তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয়

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।