ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।