ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কাতার-জর্ডান

বিশ্বসেরার ঘূর্ণিজাদুতে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশকে যতটা সাধারণ ভেবেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা, তার সাথে আসল টাইগারদের মিল পেলেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকী থাকতেই ২১৭ রানে অলআউট হয়ে গেল স্টিভেন স্মিথের দল। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে এতে প্রধান অবদান রাখলেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ। উইকেটের দোষ দিয়ে লাভ নেই। উইকেট দুই দলের জন্যই সমান। বাংলাদেশ কখনো সফরে গেলে অস্ট্রেলিয়াও তাদের সুবিধামতো উইকেট বানাবে। এটাই হয়ে থাকে ক্রিকেটে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিন সকালেই প্রথম আঘাত হানেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান বাংলাদেশের প্রধান ‘দুঃশ্চিন্তা’ ১৬ বলে ৮ রান করা অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

৩৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েছিলেন রেনশ আর হ্যান্ডসকম্ব। তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে মঞ্চে আবির্ভূত হলেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন ৬৭ বলে ৩৩ রান করা বিপজ্জনক হ্যান্ডকম্ব। ১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় অজিরা। এরপর বল হাতে ফিরেই সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে বিদায় হন একপ্রান্ত আগলে লড়াই করতে থাকা ওপেনার ম্যাট রেনশ (৪৫)।

৬ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড (৫)। তখনও উইকেটে ছিলেন বিপজ্জনক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে ২৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরিয়ে দেন বিশ্বসেরা সাকিব। এরপরই লেজের দাপট দেখানো শুরু করে অজিরা।

১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৪৯ রানের জুটি গড়ে অ্যাস্টন অ্যাগার এবং প্যাট কমিন্স। অবশ্য এতে পেসার শফিউল ইসলামের বড় অবদান আছে। সাকিবের বলে প্যাট কমিন্সের সহজ ক্যাচ তালগোল পাকিয়ে হাতছাড়া করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পরপর কমিন্সকে (২৫) বোল্ড করে প্রতিরোধ ভাঙেন বিশ্বসেরা সাকিব।