ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার করোনার জিন রহস্য নির্ণয় করল এনআইবি

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

করোনাভাইরাসের সম্পূর্ণ জীবন রহস্য নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় বলা হয়।

স্যাঙ্গার পদ্ধতিতে করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ।

দেশের তৃতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করল প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনার জীবন রহস্য নির্ণইয়ে এনআইবির সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স গোল্ডেন স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথড স্যাঙ্গার ডাইডিওক্সি পদ্ধতিতে করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল।

১টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরও ৭টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

ড. মো. সলিমুল্লাহ তথ্য দেন, এনআইবির সিকোয়েন্স করা জিনোম যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

কম খরচে করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর নির্ভর কিট উদ্ভাবনে এনআইবির গবেষকদল কাজ করছেন বলে জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ।

তিনি বলে, এ পর্যায়ে পরীক্ষাকৃত ৭টি নমুনায় আমাদের উদ্ভাবিত কিটের শতভাগ সাফল্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১২ মে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) দেশে প্রথমবারের মতো করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করে। এরপর ১৭ মে আর্ন্তজাতিক জিন ডাটা ব্যাংক- জিআইএসএআইডি করোনার পাঁচটি জিনোম সিকোয়েন্স জমা দেয় বাংলাদেশের ডিএনএ সল্যুশন।

করোনা মহামারীর কার্যকর মোকাবেলার অংশ হিসেবে দেশে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার করোনার জিন রহস্য নির্ণয় করল এনআইবি

আপডেট সময় ০৯:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

করোনাভাইরাসের সম্পূর্ণ জীবন রহস্য নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় বলা হয়।

স্যাঙ্গার পদ্ধতিতে করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ।

দেশের তৃতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করল প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনার জীবন রহস্য নির্ণইয়ে এনআইবির সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স গোল্ডেন স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথড স্যাঙ্গার ডাইডিওক্সি পদ্ধতিতে করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল।

১টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরও ৭টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

ড. মো. সলিমুল্লাহ তথ্য দেন, এনআইবির সিকোয়েন্স করা জিনোম যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

কম খরচে করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর নির্ভর কিট উদ্ভাবনে এনআইবির গবেষকদল কাজ করছেন বলে জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ।

তিনি বলে, এ পর্যায়ে পরীক্ষাকৃত ৭টি নমুনায় আমাদের উদ্ভাবিত কিটের শতভাগ সাফল্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১২ মে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) দেশে প্রথমবারের মতো করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করে। এরপর ১৭ মে আর্ন্তজাতিক জিন ডাটা ব্যাংক- জিআইএসএআইডি করোনার পাঁচটি জিনোম সিকোয়েন্স জমা দেয় বাংলাদেশের ডিএনএ সল্যুশন।

করোনা মহামারীর কার্যকর মোকাবেলার অংশ হিসেবে দেশে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।