ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

পাঁচ লাখের বেশি বকেয়া করদাতাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদ অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকা আগামী ৩ জুনের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য ( ট্যাকসেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) নাহার ফেরদৌসি বেগম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কর কমিশনারদের এ তাগিদ দেয়া হয়।

এই তালিকা তার কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদকৃত অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার অধিক পরিমাণের বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকাসহ জুন মাসের মধ্যে কর অঞ্চলের সম্ভাব্য বকেয়া আদায়ের তথ্য আগামী ৩ জুনের মধ্যে পঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।

নাহার ফেরদৌসি বেগম বলেন, এ বছর জুনের জাতীয় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমি মনে করি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি কর অঞ্চলকে বকেয়া কর থেকে আদায়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ করে জুনের মধ্যে অবিতর্কিত বকেয়া কর কীভাবে আদায় করা সম্ভব হয়, তার পরিকল্পনা এখন থেকে গ্রহণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

কর কমিশনারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নিঃসন্দেহে আমরা সবাই এক কঠিন সময় অতিক্রম করছি। বিশ্বজুড়ে একসঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরবে, তা বোধহয় কারও কল্পনাতেও আসেনি। করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো আজ হিমশিম খাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। এরকম এক ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিতকে সুদৃঢ় রাখতে আমাদের রাজস্ব আদায় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। খুঁজে বের করতে হবে কী পদ্ধতিতে সরকারের ন্যায্য রাজস্ব যৌক্তিকভাবে আদায় করে দেশের অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা অটুট রাখা সম্ভব হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

পাঁচ লাখের বেশি বকেয়া করদাতাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদ অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকা আগামী ৩ জুনের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য ( ট্যাকসেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) নাহার ফেরদৌসি বেগম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কর কমিশনারদের এ তাগিদ দেয়া হয়।

এই তালিকা তার কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদকৃত অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার অধিক পরিমাণের বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকাসহ জুন মাসের মধ্যে কর অঞ্চলের সম্ভাব্য বকেয়া আদায়ের তথ্য আগামী ৩ জুনের মধ্যে পঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।

নাহার ফেরদৌসি বেগম বলেন, এ বছর জুনের জাতীয় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমি মনে করি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি কর অঞ্চলকে বকেয়া কর থেকে আদায়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ করে জুনের মধ্যে অবিতর্কিত বকেয়া কর কীভাবে আদায় করা সম্ভব হয়, তার পরিকল্পনা এখন থেকে গ্রহণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

কর কমিশনারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নিঃসন্দেহে আমরা সবাই এক কঠিন সময় অতিক্রম করছি। বিশ্বজুড়ে একসঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরবে, তা বোধহয় কারও কল্পনাতেও আসেনি। করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো আজ হিমশিম খাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। এরকম এক ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিতকে সুদৃঢ় রাখতে আমাদের রাজস্ব আদায় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। খুঁজে বের করতে হবে কী পদ্ধতিতে সরকারের ন্যায্য রাজস্ব যৌক্তিকভাবে আদায় করে দেশের অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা অটুট রাখা সম্ভব হয়।