ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাঁচ লাখের বেশি বকেয়া করদাতাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদ অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকা আগামী ৩ জুনের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য ( ট্যাকসেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) নাহার ফেরদৌসি বেগম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কর কমিশনারদের এ তাগিদ দেয়া হয়।

এই তালিকা তার কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদকৃত অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার অধিক পরিমাণের বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকাসহ জুন মাসের মধ্যে কর অঞ্চলের সম্ভাব্য বকেয়া আদায়ের তথ্য আগামী ৩ জুনের মধ্যে পঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।

নাহার ফেরদৌসি বেগম বলেন, এ বছর জুনের জাতীয় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমি মনে করি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি কর অঞ্চলকে বকেয়া কর থেকে আদায়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ করে জুনের মধ্যে অবিতর্কিত বকেয়া কর কীভাবে আদায় করা সম্ভব হয়, তার পরিকল্পনা এখন থেকে গ্রহণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

কর কমিশনারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নিঃসন্দেহে আমরা সবাই এক কঠিন সময় অতিক্রম করছি। বিশ্বজুড়ে একসঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরবে, তা বোধহয় কারও কল্পনাতেও আসেনি। করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো আজ হিমশিম খাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। এরকম এক ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিতকে সুদৃঢ় রাখতে আমাদের রাজস্ব আদায় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। খুঁজে বের করতে হবে কী পদ্ধতিতে সরকারের ন্যায্য রাজস্ব যৌক্তিকভাবে আদায় করে দেশের অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা অটুট রাখা সম্ভব হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পাঁচ লাখের বেশি বকেয়া করদাতাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদ অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকা আগামী ৩ জুনের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য ( ট্যাকসেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) নাহার ফেরদৌসি বেগম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কর কমিশনারদের এ তাগিদ দেয়া হয়।

এই তালিকা তার কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, প্রতিটি কর অঞ্চলের হালনাগাদকৃত অবিতর্কিত বকেয়া কর দাবির তথ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকার অধিক পরিমাণের বকেয়া কর দাবি সংবলিত করদাতাদের একটি তালিকাসহ জুন মাসের মধ্যে কর অঞ্চলের সম্ভাব্য বকেয়া আদায়ের তথ্য আগামী ৩ জুনের মধ্যে পঠানোর নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।

নাহার ফেরদৌসি বেগম বলেন, এ বছর জুনের জাতীয় রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমি মনে করি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি কর অঞ্চলকে বকেয়া কর থেকে আদায়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ করে জুনের মধ্যে অবিতর্কিত বকেয়া কর কীভাবে আদায় করা সম্ভব হয়, তার পরিকল্পনা এখন থেকে গ্রহণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

কর কমিশনারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নিঃসন্দেহে আমরা সবাই এক কঠিন সময় অতিক্রম করছি। বিশ্বজুড়ে একসঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরবে, তা বোধহয় কারও কল্পনাতেও আসেনি। করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো আজ হিমশিম খাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। এরকম এক ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিতকে সুদৃঢ় রাখতে আমাদের রাজস্ব আদায় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। খুঁজে বের করতে হবে কী পদ্ধতিতে সরকারের ন্যায্য রাজস্ব যৌক্তিকভাবে আদায় করে দেশের অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা অটুট রাখা সম্ভব হয়।