ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বছরজুড়ে যুদ্ধ চলবে: ইসরাইলি সেনাপ্রধান ডিসইনফরমেশনভিত্তিক ফটোকার্ড এলাও করবো না : জাহেদ উর রহমান ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মানবে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও দূষণের হাত থেকে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রয়োজনে বিনা পারিশ্রমিকে দেশের জন্য কাজ করবো: পাইলট

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচকের একটি পদ এখনও ফাঁকা রয়েছে। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ইচ্ছা, সেই পদে আরও একজনকে নিয়োগ দেওয়ার। সেজন্য সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে যোগ্য নির্বাচক খুঁজছে বিসিবি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটকে নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু মতের মিল না হওয়ায় তা ফিরিয়ে দেন তিনি।

রোববার (১০ মে) বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাইলট নিজেই।

প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে সাবেক এই অধিনায়ক জানিয়েছেন, নির্বাচক হিসেবে পারিশ্রমিক নিয়ে বিসিবির সঙ্গে একমত না হওয়ার কারণেই তিনি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। প্রয়োজনে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন পাইলট।

৪৪ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটসম্যান-উইকেটরক্ষক বলেন, ‘আমি আসলে নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিইনি। এটার জন্য বিসিবি যে পারিশ্রমিকের কথা বলেছে সেটা খুবই অল্প। এই পারিশ্রমিকে ফুলটাইম কাজ করা সম্ভব নয়। বিসিবি যে পারিশ্রমিকের কথা বলেছে সেটাতে পার্ট টাইম হিসেবে কাজ করা যেতে পারে। কিন্তু নির্বাচকের যে কাজ সেটা হবে না। কারণ নির্বাচককে সবসময় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের দিকে নজর দিতে হবে। তাদের খেলা দেখতে হয়। আমি যখন পেশাগত হিসেবে এই দায়িত্ব নেবো তখন কিন্তু আমাকে অন্যসব কাজ ফেলে এখানে সময় দিতে হবে। তখন কিন্তু পারিশ্রমিকের একটা ব্যাপার চলে আসে। সেই অর্থে প্রস্তাব আমি ফিরিয়ে দিইনি বলেছি। ভালো পারিশ্রমিক হলে আমি অবশ্যই দায়িত্ব নেবো।’

দেশের স্বার্থে দরকার হলে বিনা পারিশ্রমিকে চাপমুক্ত হয়ে কাজ করতে চান বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। পাইলট মনে করেন, নির্বাচকের কাজটা কিন্তু মোটেও সহজ নয়। তাছাড়া জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক যখন নির্বাচকের দায়িত্ব নেবেন তখন তার সম্মানিটাও সেভাবে বিবেচনা করা উচিৎ।

সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘আপনি যখন তৃতীয় শ্রেণির ক্রিকেটার দিয়ে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করাবেন তখন তার পারিশ্রমিক হবে এক রকম। আবার জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক যখন নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করবেন তখন পারিশ্রমিক হবে আরেক রকম। সেজন্য আমি দরকার হলে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে দেব কিন্তু চাপ ছাড়া কাজ করবো। আমার সময় থেকে অতিরিক্ত সময় বের করে দেশের জন্য ব্যয় করবো। নির্বাচকের দায়িত্ব নিতে হলে নিয়ম মেনে নেওয়া উচিৎ যে, ৯-৫টা পর্যন্ত বিসিবিতে যাবো সবকিছু দেখাশুনা করবো।’

বাংলাদেশ দলের বর্তমান নির্বাচকের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে কিন্তু হাবিবুল বাশার সুমন সাবেক অধিনায়ক। সেক্ষেত্রে তারা যে পারিশ্রমিক পান সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নন পাইলট।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের নির্বাচকের দায়িত্বে যারা আছেন তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে কিন্তু আমি সন্তুষ্ট নই। তাদের উপযুক্ত সম্মানি দেওয়া উচিৎ। দলের অন্যান্য স্টাফদের যে সুবিধা দিচ্ছেন তাদেরও সেই সুবিধা দিতে হবে। তাহলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে। নিজের দেশের কোচিং স্টাফদের যথার্থ সম্মানটা আপনার দেওয়া উচিৎ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রয়োজনে বিনা পারিশ্রমিকে দেশের জন্য কাজ করবো: পাইলট

আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচকের একটি পদ এখনও ফাঁকা রয়েছে। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ইচ্ছা, সেই পদে আরও একজনকে নিয়োগ দেওয়ার। সেজন্য সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে যোগ্য নির্বাচক খুঁজছে বিসিবি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটকে নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু মতের মিল না হওয়ায় তা ফিরিয়ে দেন তিনি।

রোববার (১০ মে) বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাইলট নিজেই।

প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে সাবেক এই অধিনায়ক জানিয়েছেন, নির্বাচক হিসেবে পারিশ্রমিক নিয়ে বিসিবির সঙ্গে একমত না হওয়ার কারণেই তিনি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। প্রয়োজনে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন পাইলট।

৪৪ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটসম্যান-উইকেটরক্ষক বলেন, ‘আমি আসলে নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিইনি। এটার জন্য বিসিবি যে পারিশ্রমিকের কথা বলেছে সেটা খুবই অল্প। এই পারিশ্রমিকে ফুলটাইম কাজ করা সম্ভব নয়। বিসিবি যে পারিশ্রমিকের কথা বলেছে সেটাতে পার্ট টাইম হিসেবে কাজ করা যেতে পারে। কিন্তু নির্বাচকের যে কাজ সেটা হবে না। কারণ নির্বাচককে সবসময় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের দিকে নজর দিতে হবে। তাদের খেলা দেখতে হয়। আমি যখন পেশাগত হিসেবে এই দায়িত্ব নেবো তখন কিন্তু আমাকে অন্যসব কাজ ফেলে এখানে সময় দিতে হবে। তখন কিন্তু পারিশ্রমিকের একটা ব্যাপার চলে আসে। সেই অর্থে প্রস্তাব আমি ফিরিয়ে দিইনি বলেছি। ভালো পারিশ্রমিক হলে আমি অবশ্যই দায়িত্ব নেবো।’

দেশের স্বার্থে দরকার হলে বিনা পারিশ্রমিকে চাপমুক্ত হয়ে কাজ করতে চান বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। পাইলট মনে করেন, নির্বাচকের কাজটা কিন্তু মোটেও সহজ নয়। তাছাড়া জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক যখন নির্বাচকের দায়িত্ব নেবেন তখন তার সম্মানিটাও সেভাবে বিবেচনা করা উচিৎ।

সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘আপনি যখন তৃতীয় শ্রেণির ক্রিকেটার দিয়ে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করাবেন তখন তার পারিশ্রমিক হবে এক রকম। আবার জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক যখন নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করবেন তখন পারিশ্রমিক হবে আরেক রকম। সেজন্য আমি দরকার হলে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে দেব কিন্তু চাপ ছাড়া কাজ করবো। আমার সময় থেকে অতিরিক্ত সময় বের করে দেশের জন্য ব্যয় করবো। নির্বাচকের দায়িত্ব নিতে হলে নিয়ম মেনে নেওয়া উচিৎ যে, ৯-৫টা পর্যন্ত বিসিবিতে যাবো সবকিছু দেখাশুনা করবো।’

বাংলাদেশ দলের বর্তমান নির্বাচকের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে কিন্তু হাবিবুল বাশার সুমন সাবেক অধিনায়ক। সেক্ষেত্রে তারা যে পারিশ্রমিক পান সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নন পাইলট।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের নির্বাচকের দায়িত্বে যারা আছেন তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে কিন্তু আমি সন্তুষ্ট নই। তাদের উপযুক্ত সম্মানি দেওয়া উচিৎ। দলের অন্যান্য স্টাফদের যে সুবিধা দিচ্ছেন তাদেরও সেই সুবিধা দিতে হবে। তাহলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে। নিজের দেশের কোচিং স্টাফদের যথার্থ সম্মানটা আপনার দেওয়া উচিৎ।’