ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর সতর্কতা বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি এবছর ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাইজেরিয়ায় স্কুলে হামলায় ৩ জন নিহত, শিক্ষার্থীসহ নিখোঁজ ৩৭ এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ব আমরা: কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।