ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চার দশকে আবাসন খাতে আস্থার নাম এসইএল

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।