ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ ধর্মকে পুঁজি করে চালানো অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: আমিনুল হক কেউ কেউ বসন্তকালে আইসা কুহু কুহু ডাক শুরু করে: জামায়াতের আমির ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমতের জোয়ার : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ কেরানীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির

বাংলাদেশে করোনার যত আলাদা বৈশিষ্ট্য

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত জানুয়ারি থেকেই সারাবিশ্বে করোনার তাণ্ডব শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের ২১২ টি দেশে এখন করোনার উপস্থিতি দেখা গেছে। করোনা কখন থামবে তা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা বিশেষজ্ঞদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন আশাবাদের তথ্য নেই। করোনা নিয়ে অনেককিছুই হচ্ছে। নানারকম ওষুধ ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নানা উদ্যোগ চলছে, বিশেষজ্ঞদের নানারকম পরামর্শ, বিতর্ক সবই আছে। কিন্তু সবকিছুকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে করোনা ভাইরাস কোভিড ১৯’ সারাদেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো যে, করোনাভাইরাসের বৈশিষ্ট্য একেক দেশে একেক রকম। চীনে করোনাভাইরাস যেভাবে সংক্রমিত হয়েছিল, যে সমস্ত উপসর্গগুলো দেখা গিয়েছিল, সেই একই রকম উপসর্গ বা একই বৈশিষ্ট্য ইউরোপে দেখা যায়নি। আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা প্রচণ্ড দাবানলের গতিতে আঘাত হেনেছে এবং করোনার সবথেকে ভয়ঙ্কর রূপটি দেখা গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আফ্রিকাতে করোনার তাণ্ডব শুরু হয়েছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে আফ্রিকা হবে করোনার পরবর্তী টার্গেট। কিন্তু আফ্রিকা টার্গেট হওয়ার আগেই ব্রাজিল-রাশিয়ার মতো দেশগুলোতে করোনা এসেছে আরো ভিন্ন রূপে।

একেকটি দেশে বা একেকটি এলাকায় করোনা একেক রকম বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। যেমন চীনের পর ইউরোপের দেশগুলোতে যখন করোনা লাফিয়ে বেড়েছিল, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন করোনা ফুসফুসে বেশি আঘাত হানছে- এরকম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে করোনার বৈশিষ্ট্যগুলো আলাদা। বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণের দুই মাস পূর্তি হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত করোনার যে বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো ইউরোপ, আমেরিকা বা চীনের থেকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন। যে সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আলাদা তা দেখে নেয়া যাক-

১.লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না শনাক্তের সংখ্যা

ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে করোনা বেড়েছে লাফিয়ে। যেমন ৫০০ হওয়ার পর এটা ১ হাজারে পৌঁছেছে, ১ হাজার থেকে এটা ২ হাজার হয়েছে। অর্থাৎ জ্যামিতিক সংক্রমণ হয়েছে করোনার। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা দেখেছি যে, করোনার সংক্রমণ সেভাবে লাফিয়ে বাড়ছে না। বরং এপ্রিল মাস থেকে মে মাসের আজকের দিন পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে শতকের হারে। গড়ে ৩০০ থেকে ৭০০ এর ভেতরে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে এবং একই হারে ১১.১২ শতাংশের কাছাকাছি হারে সংক্রমণ হয়েছে করোনার। যার ফলে অন্যান্য দেশগুলোতে যেভাবে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে, বাংলাদেশে সেরকম বাড়েনি। অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এর প্রধান কারণ সীমিত পরীক্ষা। তবে সীমিত পরীক্ষা হলেও বাংলাদেশে যদি ২০ বা ২৫ ভাগ হারে সংক্রমণ হতো, তাহলে এই সংখ্যাও লাফিয়ে বাড়তো। উলম্ফন টা বাংলাদেশে নেই।

২. তরুণরা বেশি আক্রান্ত

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের একটি বড় ভিন্নতা হলো, অন্যান্য দেশে যেখানে করোনায় সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পঞ্চাশোর্ধ মানুষ, সেখানে বাংলাদেশে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই তরুণরা বেশি আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি তরুণ প্রধান রাষ্ট এবং আমাদের তরুণরা সামাজিক দুরত্ব মানেনি, অবাধে ঘোরাফেরা করেছে, সেহেতু তাঁদের আক্রান্তের হার অনেক বেশি।

৩. উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বেশি

করোনায় বাংলাদেশে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গহীন রোগী বেশি শনাক্ত হচ্ছে এবং যার ফলে মানুষ দিনের পর দিন উপসর্গহীন অবস্থায় ঘোরাফেরা করেছে এবং এটা করোনা সংক্রমণ বাড়িয়েছে বলে অনেকে মনে করে। অন্যান্য দেশে যেমন শুরুতেই উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে, সেখানে বাংলাদেশে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বেশি। অনেকেই পরীক্ষা করে কোনরকম উপসর্গ ছাড়াই করোনা পজিটিভ হয়েছেন।তারা শুধুমাত্র কর্মস্থলের কারণে পরীক্ষা করে দেখেছেন তিনি পজিটিভ। এই অধিক মাত্রার উপসর্গহীন রোগী বাংলাদেশে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য।

৪ হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা কম

অন্যান্য দেশগুলোতে করোনায় আক্রান্ত হলেই তাঁদের হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা কম, বরং বাসায় বসে আইসোলেশনে থেকে বা বাসায় বসে গরম পানি খাওয়া বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মতো চিকিৎসা প্রবণতা বেশি। এর কারণ অবশ্য বাংলাদেশে হাসপাতাল ব্যবস্থার উপর জনগণের অনাস্থা।

৫. ফুসফুসের সংক্রমণ কম

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন দুই শতাধিক ব্যক্তি। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত। ফুসফুসে সংক্রমণ বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কম দেখা গেছে। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে যেটা দেখা গেছে, করোনা সংক্রমণ হলেই তা ফুরসফুসে সংক্রমিত হয়।ফুসফুসের কারণেই তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে মৃত্যুর কারন কম হওয়ার একটি বড় কারণ হলো করোনায় ফুসফুসে সংক্রমণ কম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

বাংলাদেশে করোনার যত আলাদা বৈশিষ্ট্য

আপডেট সময় ০৯:০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গত জানুয়ারি থেকেই সারাবিশ্বে করোনার তাণ্ডব শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের ২১২ টি দেশে এখন করোনার উপস্থিতি দেখা গেছে। করোনা কখন থামবে তা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা বিশেষজ্ঞদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন আশাবাদের তথ্য নেই। করোনা নিয়ে অনেককিছুই হচ্ছে। নানারকম ওষুধ ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নানা উদ্যোগ চলছে, বিশেষজ্ঞদের নানারকম পরামর্শ, বিতর্ক সবই আছে। কিন্তু সবকিছুকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে করোনা ভাইরাস কোভিড ১৯’ সারাদেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো যে, করোনাভাইরাসের বৈশিষ্ট্য একেক দেশে একেক রকম। চীনে করোনাভাইরাস যেভাবে সংক্রমিত হয়েছিল, যে সমস্ত উপসর্গগুলো দেখা গিয়েছিল, সেই একই রকম উপসর্গ বা একই বৈশিষ্ট্য ইউরোপে দেখা যায়নি। আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা প্রচণ্ড দাবানলের গতিতে আঘাত হেনেছে এবং করোনার সবথেকে ভয়ঙ্কর রূপটি দেখা গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আফ্রিকাতে করোনার তাণ্ডব শুরু হয়েছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে আফ্রিকা হবে করোনার পরবর্তী টার্গেট। কিন্তু আফ্রিকা টার্গেট হওয়ার আগেই ব্রাজিল-রাশিয়ার মতো দেশগুলোতে করোনা এসেছে আরো ভিন্ন রূপে।

একেকটি দেশে বা একেকটি এলাকায় করোনা একেক রকম বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে। যেমন চীনের পর ইউরোপের দেশগুলোতে যখন করোনা লাফিয়ে বেড়েছিল, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন করোনা ফুসফুসে বেশি আঘাত হানছে- এরকম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে করোনার বৈশিষ্ট্যগুলো আলাদা। বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণের দুই মাস পূর্তি হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত করোনার যে বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলো ইউরোপ, আমেরিকা বা চীনের থেকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন। যে সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আলাদা তা দেখে নেয়া যাক-

১.লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না শনাক্তের সংখ্যা

ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে করোনা বেড়েছে লাফিয়ে। যেমন ৫০০ হওয়ার পর এটা ১ হাজারে পৌঁছেছে, ১ হাজার থেকে এটা ২ হাজার হয়েছে। অর্থাৎ জ্যামিতিক সংক্রমণ হয়েছে করোনার। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা দেখেছি যে, করোনার সংক্রমণ সেভাবে লাফিয়ে বাড়ছে না। বরং এপ্রিল মাস থেকে মে মাসের আজকের দিন পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে শতকের হারে। গড়ে ৩০০ থেকে ৭০০ এর ভেতরে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে এবং একই হারে ১১.১২ শতাংশের কাছাকাছি হারে সংক্রমণ হয়েছে করোনার। যার ফলে অন্যান্য দেশগুলোতে যেভাবে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে, বাংলাদেশে সেরকম বাড়েনি। অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এর প্রধান কারণ সীমিত পরীক্ষা। তবে সীমিত পরীক্ষা হলেও বাংলাদেশে যদি ২০ বা ২৫ ভাগ হারে সংক্রমণ হতো, তাহলে এই সংখ্যাও লাফিয়ে বাড়তো। উলম্ফন টা বাংলাদেশে নেই।

২. তরুণরা বেশি আক্রান্ত

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের একটি বড় ভিন্নতা হলো, অন্যান্য দেশে যেখানে করোনায় সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পঞ্চাশোর্ধ মানুষ, সেখানে বাংলাদেশে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই তরুণরা বেশি আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি তরুণ প্রধান রাষ্ট এবং আমাদের তরুণরা সামাজিক দুরত্ব মানেনি, অবাধে ঘোরাফেরা করেছে, সেহেতু তাঁদের আক্রান্তের হার অনেক বেশি।

৩. উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বেশি

করোনায় বাংলাদেশে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গহীন রোগী বেশি শনাক্ত হচ্ছে এবং যার ফলে মানুষ দিনের পর দিন উপসর্গহীন অবস্থায় ঘোরাফেরা করেছে এবং এটা করোনা সংক্রমণ বাড়িয়েছে বলে অনেকে মনে করে। অন্যান্য দেশে যেমন শুরুতেই উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে, সেখানে বাংলাদেশে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বেশি। অনেকেই পরীক্ষা করে কোনরকম উপসর্গ ছাড়াই করোনা পজিটিভ হয়েছেন।তারা শুধুমাত্র কর্মস্থলের কারণে পরীক্ষা করে দেখেছেন তিনি পজিটিভ। এই অধিক মাত্রার উপসর্গহীন রোগী বাংলাদেশে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য।

৪ হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা কম

অন্যান্য দেশগুলোতে করোনায় আক্রান্ত হলেই তাঁদের হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা কম, বরং বাসায় বসে আইসোলেশনে থেকে বা বাসায় বসে গরম পানি খাওয়া বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মতো চিকিৎসা প্রবণতা বেশি। এর কারণ অবশ্য বাংলাদেশে হাসপাতাল ব্যবস্থার উপর জনগণের অনাস্থা।

৫. ফুসফুসের সংক্রমণ কম

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন দুই শতাধিক ব্যক্তি। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত। ফুসফুসে সংক্রমণ বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কম দেখা গেছে। অথচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে যেটা দেখা গেছে, করোনা সংক্রমণ হলেই তা ফুরসফুসে সংক্রমিত হয়।ফুসফুসের কারণেই তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে মৃত্যুর কারন কম হওয়ার একটি বড় কারণ হলো করোনায় ফুসফুসে সংক্রমণ কম।